, | |

মূলপাতা আঞ্চলিক রাজনীতি

আঙ্গুল উঁচিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটকে শাসালেন রুমিন ফারহানা


নির্বাচনী বিধিমালা লঙ্ঘন করায় উঠান বৈঠক করতে বাধা দিলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান রুমিন ফারহানা।
রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় :১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১০:২২ : অপরাহ্ণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ২ আসনে নির্বাচন আচরণবিধি ভঙ্গ করার দায়ে অভিযান চালাতে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার হেনস্তার শিকার হয়েছেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান। আঙ্গুল উঁচিয়ে ওই ম্যাজিস্ট্রেটকে ধমকান রুমিন ফারহানা।

আজ শনিবার সরাইল উপজেলার নোঁয়াগাও ইউনিয়নের ইসলামাবাদ গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, স্থানীয় নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দারা দুপুরে রুমিন ফারহানার সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন।

রুমিন ফারহানা সভাস্থলে পৌঁছালে সেখানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান উপস্থিত হন এবং তাকে মঞ্চ থেকে নেমে যেতে বলেন। তবে রুমিন ফারহানা বক্তব্য শেষ করে মঞ্চ ত্যাগ করেন। এ সময় দায়িত্বরত একজন ম্যাজিস্ট্রেট তাকে থামানোর চেষ্টা করেন এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে কথা বলতে চান। তখন রুমিন ফারহানা ম্যাজিস্ট্রেটকে দেখে উত্তেজিত হয়ে পড়েন।

ঘটনার সময় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, রুমিন ফারহানা আঙ্গুল উঁচিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেন,  ‘আমি শেষ বারের মতো আপনাকে সর্তক করে দিচ্ছি। আমি এ ধরনের কথা আর শুনতে চাই না। আপনি পারলে থামিয়ে দেন। আজ আমি ভদ্রতার সাথে কথা বলছি, পরবর্তীতে সেটা করবো না।’

 

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বলতে শোনা যায়, ‘আচরণবিধি লঙ্ঘন হলে ব্যবস্থা নিতে হয়।’

জবাবে রুমিন ফারহানা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনাদের এরকম দেখায়। সব জায়গায় হচ্ছে।আপনারা কিছু করতে পারেন না।’

বিএনপির সাবেক এই নেত্রী ম্যাজিস্ট্রেটকে আরও বলেন, ‘প্রশাসনে বসে আছেন, খোঁজ নেন। আজকে আপনাকে আঙুল তুলে বলে গেলাম, আপনি শুনছেন। ভবিষ্যতে আমি শুনব না। আমি যদি না বলি, আপনি এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার, মাথায় রাখবেন। শেখ হাসিনার সময়, আপনি এখন যাদের কথায় চলতেন…। আমি রুমিন ফারহানা, কোনো দল লাগে না আমার।’

এ ঘটনার বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান গণমাধ্যমকে বলেন, নির্বাচন বিধিমালা লঙ্ঘন করে তারা সমাবেশের আয়োজন করে। বিষয়টি নিয়মবহির্ভূত হওয়ায় আমরা সেখানে গিয়ে তাদেরকে সমাবেশ না করার জন্য বলি। তারা চলে যাওয়ার সময় সমাবেশের আয়োজককে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সমাবেশ করতে না পেরে চলে যাওয়ার সময় ওই প্রার্থী আমার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। বিষয়টি আমি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়েছি।

আরও পড়ুন: রুমিন ফারহানা-নীরবসহ বিএনপির ৯ নেতা বহিষ্কার

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর