সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালানোর দাবি জানিয়েছে ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধারা। সশস্ত্র সংগঠনটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি করেন।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইল।
ইয়াহিয়া সারি পোস্টে লেখেন, সৌদি আরবের শারুরাহ সামরিক ঘাঁটি ছিল হামলার লক্ষ্য। সেখানে থাকা অস্ত্রের গুদাম এবং ‘কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার’ লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
হুথির সামরিক মুখপাত্র বলেন, এসব স্থাপনা হুথিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত সামরিক অভিযানের ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তবে হামলাটি ঠিক কবে চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট তারিখ জানানো হয়নি।
হুথিদের এই অভিযানের মধ্যেই সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে করে হরমুজকে বাইপাস করে লোহিত সাগর দিয়ে তেল সরবরাহে সৌদির একমাত্র পথটি আপাতত বন্ধ হয়ে গেছে।
এই সপ্তাহে ইরান-সমর্থিত হুথি ও সৌদি আরবের সমর্থনপুষ্ট ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ বেড়েছে। এর মধ্যেই সৌদি সামরিক ঘাঁটিতে হামলার এই দাবি সামনে এলো।
গত সপ্তাহে ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর লড়াই শুরু হয়। ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকে সব ধরনের সহায়তা করে সৌদি আরব।
এদিকে ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলের দিকে অগ্রসরমান হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, হুথিরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যেন তাদের অভিযানে কোনো হস্তক্ষেপ না করে।
গতকাল শনিবার আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনে যান ট্রাম্প। সেখানে তাকে হুথিদের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “হুথিরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং তারা আমাদের সঙ্গে কোনো লড়াই করতে চায় না। তারা চায় আমরা যেন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিই।”
আরও পড়ুন: ২ লাখ ভিসা বাতিল করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
