জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ২০১৮ বা ২০২৪ এর নির্বাচন নয়। এ নির্বাচন ফ্যাসিবাদকে লাল কার্ড দেখানোর নির্বাচন। জুলাই যোদ্ধাদের প্রত্যাশা পূরণের নির্বাচন। ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে, সবখানেই ইনসাফ কায়েম করা হবে। ন্যায় প্রতিষ্ঠাই হবে আমাদের মূল কাজ। সবকিছু ক্ষমা করা হলেও জুলাই হত্যার বিচার নিশ্চিত করা হবে।
আজ সোমবার দুপুরে কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া গোল চত্বরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গত ৫৪ বছর ধরে যে রাজনীতি দফায় দফায় ফ্যাসিবাদের জন্ম দিয়েছে এই নির্বাচন সেই পচা ঘুণে ধরা রাজনীতিকে বিদায় জানানোর, লাল কার্ড দেখানোর নির্বাচন। ইনশাআল্লাহ, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটাররা লাল কার্ড দেখাবে। ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে জনগণ নতুন একটি বাংলাদেশ পাবে। ১২ তারিখ দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে দেশের জনগণ তা প্রমাণ করে দেবে।’
রাজার ছেলে রাজা হবে-এই মতবাদে জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাসী নয় জানিয়ে জামায়াত আমীর বলেন, ‘এদেশে এমপি, মন্ত্রী কিংবা প্রধানমন্ত্রী- যেই হোক, অপরাধ করলে তার বিচার নিশ্চিত করতে চাই। আমরা কথা দিয়ে কথা রাখি। আমরা বেঁচে থাকলে কোনো ওয়াদা বরখেলাপ হবে না, ইনশাআল্লাহ।’
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা সরকার গঠনের সুযোগ পেলে নারীদের মাস্টার্স পর্যন্ত ফ্রি পড়ালেখার সুব্যবস্থা করা হবে। ইনসাফের মাধ্যমে ন্যায় প্রতিষ্ঠাই হবে আমাদের মূল কাজ। নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে কথা বলায় গোপনে আমার পেছনে লাগা হয়েছে। পেছনের লোকেরা পেছনে পড়ে থাকবে, আমরা ক্ষমতায় গেলে মর্যাদা দিয়ে নারীদের মাথার উপর করে রাখা হবে।’
জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় এবং জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ নূর আহমদ আনোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।
আরও পড়ুন: গুমের সময় যে সেনা কর্মকর্তাকে চিনে ফেলেন ব্রিগেডিয়ার আযমী
