, | |

মূলপাতা খেলা

চট্টগ্রামকে হারিয়ে বিপিএলে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী


রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় :২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১০:০৭ : অপরাহ্ণ

দ্বাদশ বিপিএলের ফাইনালে আগে ব্যাটিং করে ১৭৪ রান তুলেছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। মিরপুরের পিচ যেমন আচরণ করছে তাতে বুঝাই যাচ্ছিল এই রান তাড়া করা সহজ কাজ নয়। কঠিন কাজটা করতে পারেনি চট্টগ্রাম রয়্যালস। বিপিএলের ফাইনালে ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

এটা রাজশাহীর দ্বিতীয় বিপিএল শিরোপা। বিপিএলের ২০১৯-২০ মৌসুমে রাজশাহী রয়্যালস নামে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

আজ শুক্রবার মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে ফাইনাল নিয়ে ভক্ত-সমর্থকেরা যে রোমাঞ্চের আশা করেছিলেন, সেটার ছিটেফোটাও দেখা যায়নি। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং-তিন বিভাগেই আজ চট্টগ্রাম র‍য়্যালসকে রীতিমতো নাস্তানাবুদ করেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। প্রথমে নেমে ২০ ওভারে ১৭৪ রান করে রাজশাহী। জবাবে ১১১ রানে থামে চট্টগ্রামের ইনিংস।

টস জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় চট্টগ্রাম রয়্যালসের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। তবে সেই সিদ্ধান্তকে ভুল প্রমাণ করে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে রাজশাহী। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও ফারহান আহমেদের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৮৩ রান। ফারহান ৩০ বলে ৩০ রান করে ফিরলেও তানজিদ ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে।

দ্বিতীয় উইকেটে কেন উইলিয়ামসনকে সঙ্গে নিয়ে আরও ৪৭ রান যোগ করেন তানজিদ। উইলিয়ামসন ১৫ বলে ২৪ রান করে আউট হন। এরপরও থামেননি তানজিদ। দায়িত্বশীল ও বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে তুলে নেন ক্যারিয়ারের স্মরণীয় এক সেঞ্চুরি। ৬২ বলে ১০০ রানের ইনিংসে ছয়টি চার ও সাতটি ছক্কা হাঁকান এই বাঁহাতি ওপেনার। এটি ছিল চলতি বিপিএলে তার চতুর্থ সেঞ্চুরি এবং বিপিএল ফাইনালের ইতিহাসে তৃতীয় সেঞ্চুরি। এর আগে ফাইনালে সেঞ্চুরি করেছিলেন ক্রিস গেইল ও তামিম ইকবাল।

 

শেষ পর্যন্ত রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ২০ ওভারে সংগ্রহ করে ১৭৪ রান। চট্টগ্রামের হয়ে শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম দুটি করে উইকেট নেন।

১৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চট্টগ্রাম রয়্যালস। মাত্র ১৮ রানের মধ্যেই দুই ওপেনারকে হারায় তারা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় কোনো জুটিই গড়ে উঠেনি। মির্জা বেগ সর্বোচ্চ ৩৬ বলে ৩৯ রান করলেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত চট্টগ্রামের ইনিংস থামে ১১১ রানে।

রাজশাহীর পক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করেন বাঁহাতি পেসার বিনুরা ফার্নান্দো। ৩ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচায় চারটি উইকেট নেন তিনি। এছাড়া হাসান মুরাদ তিনটি, জিমি নিশাম দুটি এবং আব্দুল গাফফার সাকলাইন একটি উইকেট শিকার করেন।

আরও পড়ুন: ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর