, | |

মূলপাতা সাক্ষাৎকার

এবারের নির্বাচনের পর চেম্বার থেকে টাউন-ট্রেড গ্রুপ বাদ দেবো: আমীর হুমায়ুন




প্রকাশের সময় : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ৬:৩০ অপরাহ্ণ

আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী। দেশের শতবর্ষী চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির সাবেক সভাপতি তিনি। ২০০২ সালে তিনি চেম্বারের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার বড় ভাই বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীও ১৯৮৮ সালে চেম্বারের সভাপতি নির্বাচিত হন। তাদের বাবা প্রয়াত মাহমুদুন্নবী চৌধুরী ছিলেন চিটাগাং চেম্বারের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি। সাবেক মন্ত্রী মাহমুদুন্নবী চৌধুরী ১৯৬২ সালে চেম্বারের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। চিটাগাং চেম্বারের আসন্ন নির্বাচনে আমীর হুমায়ুন চৌধুরী ‘ইউনাইটেড বিজনেস ফোরাম’ নামে একটি প্যানেল দিয়েছেন। দীর্ঘ ১০ বছর পর চিটাগাং চেম্বারের প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ভোট দিতে উন্মুখ হয়ে আছেন চেম্বারের ব্যবসায়ীরা। চেম্বার নির্বাচন নিয়ে আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলেছে রাজনীতি সংবাদ। তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রাজনীতি সংবাদের সম্পাদক সালাহ উদ্দিন সায়েম।

রাজনীতি সংবাদ: এবার চেম্বারের নির্বাচনে আপনি ‘ইউনাইটেড বিজনেস ফোরাম’ নামে একটি প্যানেল দিয়েছেন। অপরদিকে আপনাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এস এম নুরুল হক ‘সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ’ নামে আরেকটি প্যানেল দিয়েছেন। নুরুল হকের সঙ্গে আপনার দ্বন্দ্বের কারণ কী?

আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী: দ্বন্দ্বের কারণ হলো তিনি (নুরুল হক) চেম্বারের প্রেসিডেন্ট হতে চান। চেম্বার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে তিনি এরশাদ উল্লাহ (নগর বিএনপির আহ্বায়ক) ও একরামুল করিমকে (নগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক) সঙ্গে নিয়ে আমার বাসায় এসেছিলেন। এরশাদ উল্লাহ ও একরামুল করিম আমাকে বললেন, নুরুল হককে একটু দেখতে হবে। তবে তারা আমাকে সরাসরি বলেননি, নুরুল হক চেম্বারের প্রেসিডেন্ট হতে চায়। পরে নুরুল হক আমার কাছে অন্য লোক পাঠায়। সে লোক এসে আমাকে সরাসরি বললো, নুরুল হক চেম্বারের প্রেসিডেন্ট হতে চান। আমি বললাম, তাকে আমি সাপোর্ট করবো না। কারণ নুরুল হকের চেম্বারের প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্যতা নেই। ওই লোক গিয়ে নুরুল হকের কাছে আমার বার্তা পৌঁছে দেয়। এতে নুরুল হক আমার ওপর ক্ষেপে যান। এরপর তিনি নির্বাচনে আমার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে পাল্টা প্যানেল দেয়।

প্রশ্ন: নুরুল হকের কী যোগ্যতা নেই?
উত্তর: চেম্বার প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসতে হলে শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে, ব্যবসা থাকতে হবে, ইন্টারন্যাশনাল কানেকশন থাকতে হবে। নুরুল হকের এর কোনোটাই নেই। তিনি গ্রামের কলেজ থেকে নকল করে পাশ করেছেন। এই লোকটাকে আমি কীভাবে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী করবো? তখন চেম্বারের ব্যবসায়ীরা আমাকে বলবে, আপনি ‘বকলম’ একটা লোককে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী করেছেন। তখন আমি কী জবাব দেবো?’

প্রশ্ন: আপনি সীকম গ্রুপের চেয়ারম্যান আমিরুল হককে কেন প্যানেল লিডার করলেন?
উত্তর: আমিরুল হক একজন অত্যন্ত যোগ্য লোক। সে ইংল্যান্ড থেকে মাস্টার্স পাশ করে এসেছে। তার যতো ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পকারখানা আছে, এরকম চট্টগ্রামে কতজন লোকের আছে? তার সবচেয়ে বড় যোগ্যতা হলো, ফরেন কানেকশন। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যের ওপর প্রথমে ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলো। পরে ৩৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ আরোপ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র এই শুল্কের হার কমানোর পেছনে আমিরুল হকের ভূমিকা ছিল। শুল্কের হার কমানোর জন্য বাণিজ্য উপদেষ্টার নির্দেশে আমিরুল হক যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক বছরে ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের সয়াবিনবীজ আমদানি করার চুক্তি করেছে। এই লোককে প্যানেল লিডার না করে আমি কাকে করবো? এর চেয়ে উপযুক্ত লোক কে আছে?

প্রশ্ন: নির্বাচনের আগেই আপনার প্যানেল ২৪টি পদের মধ্যে ৬টিতে এগিয়ে আছে। টাউন-ট্রেড গ্রুপ থেকে আপনার প্যানেলের ৬ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন। বাকি ১৮টি পদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য নির্বাচনে আপনার প্যানেলের প্রয়োজন ৭টি পদ, আর প্রতিপক্ষ প্যানেলের দরকার ১৩টি পদ। এই অঙ্কের হিসাবে নির্বাচনে আপনার প্যানেল জয়ের দ্বারপ্রান্তে। কিন্তু নির্বাচনটা তো হাইকোর্টে আটকে গেলো। বিষয়টা কীভাবে দেখছেন?

উত্তর: গত ১ নভেম্বর ভোট হলে হয়তো আমরা বিজয়ের মালা পড়তাম। বেলাল নামের যে ব্যক্তি হাইকোর্টে রিট করেছে সে কিন্তু চেম্বারের নির্বাচন করছে না। তার ভাই আইয়ুব আমাদের প্রতিপক্ষের প্যানেল থেকে নির্বাচন করছে। বেলাল নামের ওই ব্যক্তি আমাদের সাথে জেদাজেদি করতেছে। সে আমার সম্পর্কেও খারাপ কথা বলেছে। সে একদিন আমাকে ফোন করেছিলো। বলেছে, খসরু ভাইয়ের সাথে তার পরিচয় আছে। কিন্তু খসরু ভাই আমাকে বললেন, বেলাল নামের কাউকে তিনি চেনেন না। সে নুরুল হকের ইন্ধনে হাইকোর্টে রিট করেছে। হাইকোর্টে রিটের শুনানিতে নুরুল হক উপস্থিত ছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন, এই রিটের পেছনে তার ইন্ধন আছে। রিট করে লাভটা কী হলো। হাইকোর্টে তো রিট খারিজ হয়ে গেছে।

প্রশ্ন: রিট খারিজ হওয়ার পর তারা তো আবার আপিল করেছে। এই জেদাজেদির শেষ কোথায়?

উত্তর: জেদাজেদি তো আমরা করছি না। আমরা আইনগতভাবে তাদের মোকাবিলা করছি। রিট করেছে তারা। রিটে আমাদের সাথে হেরে যাওয়ার পর জেদাজেদি করে তারা আবার আপিল করেছে। দেখা যাক, আল্লাহর যা হুকুম হয় তা হবে।

প্রশ্ন: রিট নিষ্পত্তি হয়ে গেলে চেম্বার নির্বাচন কি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে হওয়ার সম্ভাবনা আছে?

উত্তর: জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাথে চেম্বার নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। নির্বাচনের সব কার্যক্রম তো সম্পন্ন হয় গেছে। এখন কেবল ভোটগ্রহণ বাকি। রিট নিষ্পত্তি হয়ে গেলে আমরা চাইবো, দ্রুত সময়ে যেন ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা করা হয়।

প্রশ্ন: রিট খারিজ হয়ে যাওয়াতে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে আর কোনো বাধা নেই। কিন্তু আপনি প্রথমে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের বিরোধিতা করেছিলেন। পরে কেন টাউন-ট্রেডের পক্ষে অবস্থান নিলেন?

উত্তর: টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ বাদ দেওয়ার জন্য আমি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পর্যন্ত গিয়েছি। হাইকোর্টের সিনিয়র আইনজীবীদের সাথেও কথা বলেছি। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও আইনজীবীরা চেম্বারের আর্টিকেল অব অ্যাসোসিয়েশন পর্যালোচনা করে আমাকে জানালেন, এখন যেহেতু চেম্বারের পরিচালনা পর্ষদ নেই, তাই নির্বাচনের আগে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ বাদ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। নির্বাচনের পরে ইজিএম (এক্সট্রা অর্ডিনারি জেনারেল মিটিং) করে বাদ দেওয়ার সুযোগ আছে। ফলে আমি নিরুপায় হয়ে এবার টাউন-ট্রেড নিয়ে নির্বাচন করার পক্ষে অবস্থান নিই। এখানে আমার অপরাধটা কোথায়?

প্রশ্ন: টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ লতিফের নিয়ন্ত্রণে ছিল। টাউন-ট্রেডকে পুঁজি করে তিনি চেম্বারকে ১৭ বছর নিজের কব্জায় রেখেছিলেন। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আপনার প্যানেলের লোকজন চেম্বারে লতিফের স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলেন। এখন আপনি সেই লতিফের সাথে সমঝোতা করে আপনার হাতে টাউন-ট্রেডের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন। এটা কি আপনাদের স্ববিরোধী অবস্থান নয়?

উত্তর: যেখানে টাউন-ট্রেড ছাড়া নির্বাচন করার কোনো সুযোগ নেই, সেখানে কি আমি ঘরে বসে থাকবো? কিন্তু টাউন-ট্রেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে আমার আগে নুরুল হক গিয়ে ধরনা দেয়। নুরুল হক লতিফের সঙ্গে বেঈমানি করেছে বিধায় তারা তার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। চেম্বারে লতিফের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা আমাকে বলেছেন, লতিফ নুরুল হককে চেম্বারের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বানিয়েছেন, এরপর এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক করেছেন। কিন্তু ৫ আগস্টের পর নুরুল হক চেম্বারের সামনে মানববন্ধন করে লতিফের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন। এতে লতিফ নুরুল হকের ওপর চরম ক্ষিপ্ত হন।

প্রশ্ন: এবারের চেম্বার নির্বাচনের পরে ইজিএম (এক্সট্রা অর্ডিনারি জেনারেল মিটিং) করে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ বাদ দেওয়ার কি উদ্যোগ নেবেন?

উত্তর: অবশ্যই। আমরা নির্বাচনের পরে ইজিএম করে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ বাদ দেবো। ঢাকা চেম্বারেও আগে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ ছিল। পরে তারা এগুলো বাদ দিয়েছে। আমি মনে করি, চিটাগাং চেম্বারেও এগুলোর দরকার নেই। অর্ডিনারি ও অ্যাসোসিয়েট থাকলেই হলো।

প্রশ্ন: আমজাদ চৌধুরী তো প্রথমে আপনার প্যানেলে যুক্ত হতে চায়নি। আপনি তাকে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। কিন্তু পরে তিনি কী কারণে আপনার প্যানেলে যুক্ত হলেন?

উত্তর: আমজাদ একটা প্যানেল নিয়ে নির্বাচন করার কথা ছিল। কিন্তু তার প্যানেলে মাত্র ৮-৯ জন প্রার্থী ছিল। যদি সে প্যানেল নিয়ে নির্বাচন করতো তাহলে নিজের ভোট ব্যাংক দিয়ে প্রেসিডেন্ট হতে পারতো না। সে আমাদের প্রতিপক্ষ প্যানেলের ব্যবসায়ীদের কাছেও ধরনা দিয়েছিল। কিন্তু তারা নুরুল হককে প্যানেল লিডার চূড়ান্ত করে ফেলায় সে সেখানে জায়গা পায়নি। তারপর সে আমাদের কাছে চলে আসলো।

প্রশ্ন: আপনি নির্বাচনে কেন প্রার্থী হলেন না?

উত্তর: তফসিল ঘোষণার আগে অনেক ব্যবসায়ী বাসায় এসে আমাকে চাপাচাপি করেছিলেন ইলেকশন করার জন্য। কিন্তু আমি তাদের বলেছি, আমি আর চেম্বারে ইলেকশন করবো না। কারণ চেম্বারের প্রেসিডেন্টকে অনেক লেখাপড়া করতে হয়। আমি চেম্বারের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর যত লেখাপড়া করেছি, এমএ পাশ করার জন্যও ততো লেখাপড়া করিনি। আমি চেম্বার প্রেসিডেন্ট থাকাকালে যতো ডেলিগেশন এসেছিলো, আর কোনো প্রেসিডেন্টের সময়ে এতো আসেনি। চেম্বার প্রেসিডেন্টের যদি জ্ঞান না থাকে, তাহলে ডেলিগেশনের সাথে কীভাবে কথা বলবে? আমি চেম্বার প্রেসিডেন্ট থাকাকালে সালাউদ্দিন কাশেম খান সাহেব (এ কে খান অ্যান্ড কোম্পানির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক) একদিন আমাকে ফোন করে বললেন, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের সিইও এসেছেন, তিনি আপনার সাথে দেখা করবেন। তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার আগে আমি ৭ থেকে ১০ দিন ইন্ডাস্ট্রি, ট্রেড, শিপিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে লেখাপড়া করি। তার সঙ্গে মিটিং করার পর সালাউদ্দিন কাশেম সাহেব বাসায় গিয়ে আমাকে ফোন করে বললেন, ‘হুমায়ুন, আই এম সো প্রাউড অফ ইউ। তোমাদের চিটাগাং চেম্বার এতো রিচ তা আমি জানতাম না।’ স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের সিইও যে প্রশ্ন করেছেন তার উত্তর আমার রেডি ছিল। এখন আমার বয়স হয়েছে। এতো লেখাপড়া করতে পারবো না।

প্রশ্ন: ২০০২ সালে চেম্বারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে আপনি কী ভূমিকা রেখেছিলেন?

উত্তর: আমি ২০০২ সালে চেম্বারের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর চট্টগ্রামের জন্য অনেক কাজ করেছি। চেম্বারের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার গড়ে তুলেছি। বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিকে পুনর্বিন্যাস করে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি গঠনে আমি ভূমিকা রেখেছি। চট্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিং ভেঙ্গে ফেলতে চেয়েছিলো, তা আমি রক্ষা করেছি। ভ্যাটের বাড়তি বোঝা থেকে চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আমি রক্ষা করেছি।

রাজনীতি সংবাদ: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

আরও পড়ুন:

চিটাগাং চেম্বার নির্বাচন নিয়ে দুই ব্যবসায়ী নেতার ‘প্রেস্টিজ ইস্যু’

রিট খারিজ, চিটাগাং চেম্বার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে টাউন-ট্রেড গ্রুপ

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর