, | |

মূলপাতা রাজধানী

৩৬ ঘণ্টার অবরোধ শুরু, রাস্তায় যানবাহন কম


অবরোধ চলাকালে আজ সকালে রাজধানীর ফার্মগেট এলাকার চিত্র। ছবি: সংগৃহীত
প্রকাশের সময় :১২ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১০:০৫ : পূর্বাহ্ণ

সরকার পতনের দাবিতে ১১তম ধাপে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা জোটের ৩৬ ঘণ্টার অবরোধ শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সারাদেশে সড়ক, নৌ ও রেলপথে সর্বাত্মক এ অবরোধ চলবে।

অবরোধ চলাকালে সংবাদপত্রের গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স, অক্সিজেন সিলিন্ডার গাড়ি ও জরুরি ওষুধ পরিবহন এ অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে।

অবরোধ চলাকালে রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী ও সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সকাল থেকে কোনো দূরপাল্লার বাস ছাড়েনি। দূরপাল্লার বাসগুলোকে বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান করতে দেখা গেছে। বেশিরভাগ দূরপাল্লার বাসে যাত্রী নেই।

রাজধানীতে সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চলাচল করলেও তাতে যাত্রী কম। তবে সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনজি ও রিকশা চলাচল করছে।

অবরোধের শুরুতে আজ সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর গুলিস্তানে বাহন পরিবহনের একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

অবরোধের সমর্থনে আজ মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটর থেকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে মিছিল বের হয়। এ সময় তারা সড়কে পিকেটিং করেন।

এ ছাড়া সকালে ধানমন্ডিতে মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

এদিকে অবরোধের সমর্থনে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ জামায়াতের নেতাকর্মীরা।

অবরোধের আগের দিন গতকাল রাতে রাজধানীসহ সারাদেশে ৫টি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।

গতকাল রাতে অবরোধের সমর্থনে রাজধানীতে সন্ধ্যায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে মশাল মিছিল বের হয়। তবে পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ চলাকালে দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে মহাসমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়।

এ ঘটনার প্রতিবাদে ও সরকার পতনের এক দফা দাবিতে এ পর্যন্ত দশ দফায় ১৯ দিন অবরোধ ও চারদিন হরতাল পালন করে বিএনপি, জামায়াত ও সমমনা জোট।

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর