কক্সবাজারের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি কারাগারে যাওয়ার পর মাদকের ‘দায়িত্ব’ কে নিয়েছে তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছে জানতে চেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
আজ শনিবার বাজেট আলোচনায় তিনি সংসদে এ প্রশ্ন রাখেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দেশে মাদকের বড় চালান আসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকার আশপাশ দিয়ে। আগে শুনতাম বদি। এখনতো বদি নেই। এখন ওখানকার ‘দায়িত্বটা’ কে নিয়েছে। বাড়ির আশপাশের লোক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তো চেনার কথা।
আবদুর রহমান বদি কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সালাহউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য।
গয়েশ্বর রায় বলেন, মাদকের সবচেয়ে বড় চালান আসে ওনার (সালাহউদ্দিন) বাড়ির আশেপাশ দিয়ে। কক্সবাজার-টেকনাফ…। এতদিনে ওইদিক দিয়ে মাদক আসা বন্ধ হওয়া উচিত ছিল। আইন দিয়ে কোনও কিছু হয় না। আইন কার্যকর করতে সাহস লাগে। সৎ সাহস লাগে, ইচ্ছা লাগে।
ঢাকা-৩ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, দেশের বড় চ্যালেঞ্জ মাদক। আমার এলাকায় হাসপাতালের সাইনবোর্ড আছে। ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল পুরোটাই মাদকের আখড়া। সেখানে কোনও রোগী, ডাক্তার ও দারোয়ান নেই।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হবে। তা নাহলে দুর্নীতির চাপে তলিয়ে যাবে জাতি। একজন এমপি ওয়াশিং মেশিন দাবি করেছেন। আমি ওয়াশিং মেশিন নাম শুনেছি, কিন্তু দেখিনি, ব্যবহারও করিনি। সংসদ সদস্যকে বলবো, আপনার দরকার হলে স্পিকারের কাছে চান। আমার দরকার নেই। তাই সংসদ দিলেও, নেবো না। আমি চিনি না, ব্যবহারও করতে পারি না। সংসদ সদস্যদের অভাব যদি ওয়াশিং মেশিন হয়, তাহলে দেশের মানুষের অভাব তো অনেক। সেটার দিকে তাকালে বুঝতে পারবেন, এ বাজেট অর্থবহ, বড় বাজেট নয়।
আরও পড়ুন: তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে কারিগরি সমীক্ষা করবে বাংলাদেশ ও চীন
