, | |

মূলপাতা বিএনপি

১৭ বছর পর মাতৃভূমির পথে তারেক রহমান


দেশে ফেরার ফ্লাইটে তারেক রহমান, স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান। ছবি: সংগৃহীত
রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় :২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ৮:৩২ : পূর্বাহ্ণ

দীর্ঘ ১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশের মাটিতে ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন হতে যাচ্ছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে তাকে নিয়ে মাতৃভূমির পথে উড়াল দিয়েছে বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট। দেশে ফেরার এই যাত্রায় তার সঙ্গে আছেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

স্থানীয় সময় ৬টা ১৫ মিনিটে বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিজি-২০২ বহনকারী ফ্লাইটটি হিথ্রো বিমানবন্দর ছেড়ে ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। ফ্লাইট ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের ৪ ঘণ্টা আগে স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে বাসা থেকে বের হন তিনি, বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান স্থানীয় সময় ৪টা ১৫ মিনিটে।

সবকিছু ঠিক থাকলে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা নাগাদ মাতৃভূমিতে পা রাখবেন তারেক রহমান। তার নিরাপত্তায় নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় সংবর্ধনা দিতে প্রস্তুত বিএনপি। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখতে রাজকীয় সংবর্ধনার ব্যবস্থা করেছে দলটি। রাজধানীর পূর্বাচলে ৩০০ ফিট এলাকায় তৈরি করা হয়েছে সুবিশাল এক মঞ্চ।

ঢাকা শাহজালাল বিমানবন্দরে নেমে সরাসরি এই পূর্বাচলেই যাবেন তারেক রহমান। নেতাকে একনজর দেখতে এবং তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে গতকাল বুধবার রাত থেকেই ৩০০ ফিট হাইওয়ে এলাকায় ঢল নেমেছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিএনপির নেতাকর্মীদের। কুড়িল থেকে শুরু করে মঞ্চ এলাকা পর্যন্ত যেন তিল ধারণের জায়গা নেই। 

 

তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ৫০ লাখ মানুষের সমাগম হবে বলে আশাবাদ জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও অভ্যর্থনা কমিটির সদস্য সচিব রুহুল কবির রিজভী।

উল্লেখ্য, ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় ২০০৭ সালের ৭ই মার্চ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান। ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি মুক্তি পান। এরপর ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর পরিবারের সদস্যদেরকে সাথে নিয়ে লন্ডনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়েন তারেক রহমান।

২০১২ সালে তিনি ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন। এরপর থেকে তারেক রহমান দীর্ঘ সময় সেখানেই অবস্থান করছেন। এই সময়কালে দেশের বাইরে থেকেও তিনি বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ওয়ান-ইলেভেন সরকার এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে শ’খানেক মামলা করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৫টি মামলায় তার সাজাও হয়েছিল।

আরও পড়ুন: দেশে ফিরে তারেক রহমান কোথায় যাবেন, কী করবেন?

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর