বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তামিম ইকবাল মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় বুলবুলই যে সভাপতি হবেন তা অনুমিতই ছিল। অবশেষে হলোও তাই।
আজ সোমবার রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে বিসিবি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। নির্বাচনে ২৫ পরিচালক জয়লাভ করেন।
তফসিল অনুসারে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এই ২৫ পরিচালক নিয়ে বিসিবি সভাপতি ও সহসভাপতি পদের নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই পদে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় তাকে সভাপতি পদে বিজয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
এ ছাড়া সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ফারুক আহমেদ ও সাখাওয়াত হোসেন।
চলতি বছরের এপ্রিলের বিসিবির দায়িত্ব পেয়েছিলেন দেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল ইসলাম বুলবুল। সেই সময় নির্বাচন করার কথা না জানালেও এবারের নির্বাচনে অংশ নেন তিনি। আর সেখানেই বাজিমাত করলেন বুলবুল। নাজমুল হাসান পাপনের পর এবার বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
এর আগে নির্বাচনে তিনটি ক্যাটাগরি থেকে পরিচালক পদে বিজয়ী হন ২৩জন প্রার্থী। এছাড়া এনএসসি কোটায় ২ জন নির্বাচিত হন।
ক্যাটাগরি-১ অর্থাৎ জেলা ও বিভাগ কোটা থেকে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের মধ্যে আছেন চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে আহসান ইকবাল চৌধুরি ও আসিফ আকবর, খুলনা বিভাগ থেকে আব্দুর রাজ্জাক রাজ ও জুলফিকার আলি খান, ঢাকা বিভাগ থেকে নাজমুল আবেদিন ফাহিম ও আমিনুল ইসলাম বুলবুল, বরিশাল বিভাগ থেকে সাখাওয়াত হোসেন, সিলেট বিভাগ থেকে রাহাত শামস, রাজশাহী বিভাগ থেকে মোখলেসুর রহমান ও রংপুর বিভাগ থেকে হাসানুজ্জামান।
ক্যাটাগরি-২ অর্থাৎ ঢাকার ক্লাব কোটা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ইশতিয়াক সাদেক, শানিয়ান তানিম, মেহরাব আলম চৌধুরী, ফারুক আহমেদ, আমজাদ হোসেন, মোকসেদুল কামাল, মঞ্জুরুল আলম, আদনান রহমান দিপন, আবুল বাশার শিপলু , ইফতেখার রহমান মিঠু, ফয়জুর রহমান ও নাজমুল ইসলাম।
ক্যাটাগরি-৩ অর্থাৎ সাবেক ক্রিকেটার এবং বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কোটা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন খালেদ মাসুদ পাইলট।
এছাড়া এনএসসি কোটায় পরিচালক হয়েছেন ২ জন। তারা হলেন এম ইসফাক আহসান ও ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক।
আরও পড়ুন: বিসিবি নির্বাচন থেকে তামিমসহ আরও যারা সরে দাঁড়ালেন
