বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ | ২৫ মাঘ, ১৪২৯ | ১৬ রজব, ১৪৪৪

মূলপাতা বিএনপি

১০ ডিসেম্বর কমলাপুর স্টেডিয়ামে গণসমাবেশ করতে চায় বিএনপি


রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় :৮ ডিসেম্বর, ২০২২ ১০:০৪ : অপরাহ্ণ
ডিএমপির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিএনপি নেতারা। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ নিয়ে নতুন দুটি স্থানের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিএনপি সমাবেশের জন্য চেয়েছে কমলাপুর স্টেডিয়াম। অপরদিকে পুলিশ প্রস্তাব করেছে মিরপুর বাংলা কলেজ মাঠ।

আজ বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুকের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যন অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আমরা পুলিশের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে আলোচনা করেছি। আমরা আমাদের কার্যালয় খুলে দিতে বলেছি। শনিবারের সমাবেশের ভেন্যুর জন্য আমরা আরামবাগ বলেছি, তারা রাজি হয়নি। সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট স্কুলের কথা বলেছি, সেটাও তারা রাজি হয়নি। আমরা ফকিরাপুল স্টেডিয়ামের কথাও বলেছি। তারা প্রস্তাব করেছেন মিরপুরের সরকারি বাঙলা কলেজ মাঠ। আমরা সেখানে যাবো, পরিদর্শন করবো। তারপর সিদ্ধান্ত নেবো।’

আরও পড়ুন: ‘অপেক্ষা করুন, ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় যা দেখবেন, স্বচক্ষে দেখবেন’

রাত সাড়ে ৯টার দিকে ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘সমাবেশের জন্য কমলাপুর স্টেডিয়াম অথবা মিরপুর বাংলা কলেজ মাঠ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা স্থান দুটি পরিদর্শন করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো। সমাধান হবে বলে আশা করছি।’

এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুকের সঙ্গে বিএনপির প্রতিনিধি দলের বৈঠক শুরু হয়।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতুল্লাহ বুলুর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন-অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

উল্লেখ্য, ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশের কর্মসূচি আছে। এ গণসমাবেশ কোথায় হবে, তা নিয়ে বিতর্ক-আলোচনার মধ্যেই গতকাল বিকেলে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে নয়াপল্টন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষে মকবুল আহমেদ নামে বিএনপির এক কর্মী নিহত হন। আহত হন দলটির অর্ধশত নেতাকর্মী।

সংঘর্ষের পর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে দলের কেন্দ্রীয় নেতা রুহুল কবির রিজভী, আমানউল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, খায়রুল কবির, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী, শিমুল বিশ্বাস, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবদুল কাদের ভূঁইয়াসহ কয়েক শ নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ।

পরে এ ঘটনায় বিএনপির পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করে তিনটি মামলা দিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:

নয়াপল্টন অবরুদ্ধ, মির্জা ফখরুলকে কার্যালয়ে যেতে দেয়নি পুলিশ

পল্টনে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের মামলা, বিএনপির ২০০০ নেতাকর্মী আসামি

নয়াপল্টনে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ, নিহত ১

পুলিশ বাজারের ব্যাগে করে কার্যালয়ে বোমা নিয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল

রুহুল কবির রিজভীসহ বিএনপির ৭ নেতা আটক


আরও খবর