, | |

মূলপাতা জামায়াতে ইসলামী

সীমান্তবর্তী জেলায় সমাবেশ ও ঢাকায় বিক্ষোভের ঘোষণা ১১ দলের



রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদক
প্রকাশের সময় : ১০ জুন ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশে পুশ ইন ও সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে আগামী শুক্রবার দেশের সীমান্তবর্তী সকল জেলায় প্রতিবাদ সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট। এছাড়াও সারাদেশে খুন, ধর্ষণ এবং আইনশৃঙ্খলা অবনতির প্রতিবাদে আগামী ১৫ জুন রাজধানীর শাহবাগের হাদী চত্বরে বিক্ষোভ করবে তারা।

আজ বুধবার দুপুরে মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‎১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ১১ দলীয় জোটের লিঁয়াজো কমিটির সমন্বয়ক জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘‎সরকার অতীতের ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ পরিচালনা করছে। এ সরকার সংস্কার চায় না তাদের কর্মে প্রমাণিত হয়েছে। একই সঙ্গে ‎প্রতিবেশী দেশ বাড়াবাড়ি করে যাচ্ছে। ‎ভিনদেশি নাগরিক থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা না নিয়ে বরং জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে তাদের দেশের বসবাসকারীদের।’

পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের পরিসংখ্যান তুলে ধরে এ জামায়াত নেতা বলেন, ‘গত তিন মাসে ৫০-এর অধিক সীমান্তবর্তী এলাকায় পুশ ইনের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে ২ হাজার ৪৭৯ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা করা হয়েছে।’ তবে বাস্তব সংখ্যা এর দ্বিগুণের বেশি বলে দাবি করেন তিনি।

সীমান্তে বিএসএফের হত্যাকাণ্ডের বিবরণ তুলে ধরে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘সরকারের ১০০ দিনে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে ১৯ জন নিরীহ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। একই সময়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে ২৪ জন। বিএসএফ এবং মিয়ানমারের আরাকান আর্মি ৮৩ জনকে আটক করে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে।’

 

এ জামায়াত নেতা বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমান্ত হত্যা নিয়ে সাম্প্রতিক বক্তব্য জাতীয় নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ‎কোন আইন অনুযায়ী সরাসরি গুলির আইন নেই। এটা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’

এসময় ‎সরকারকে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

এসময় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘আমি সীমান্ত এলাকায় ঘুরেছি, দেখেছি মানুষের কত কষ্ট। আমি দেখে এসেছি সীমান্তে সরকারের ভূমিকা অপ্রতুল। সরকারকে বিজিবিকে শক্তিশালী করতে হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আহমদ আলী কাসেমী, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির আব্দুল মাজেদ আতহারী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মহাসচিব ইকবাল হোসেন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মহাসচিব নিজামুল হক প্রমুখ।

আরও পড়ুন: আপিলের সময় শেষ, হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের সামনে এখন কোন পথ?

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর