, | |

মূলপাতা বিএনপি

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন খালেদা জিয়া


প্রকাশের সময় :১৫ এপ্রিল, ২০২১ ১১:০০ : অপরাহ্ণ

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে সিটি স্ক্যান শেষে বাসায় ফিরেছেন বিএনপির চেয়াপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সেখানে তার সিটিস্ক্যান শেষে ১০টা ২৪ মিনেটে তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট পাওয়ার পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে-তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হবে নাকি বাসায় রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হবে।

এর আগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যান করানোর জন্য রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ সময় খালদা জিয়ার সঙ্গে ছিলেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জাহিদ হোসেন।

এর আগে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় বিএনপি চেয়ারপারসনকে দেখে আসার পর তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক টিমের প্রধান অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকী সাংবাদিকদের বলেন, ‘ম্যাডামের সকালে জ্বর আসলেও এখন তার শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে। তার ব্লাড রিপোর্ট ভালো। আমরা তার সিটিস্ক্যান করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘কোভিডে কখনোই আপনি আগে থেকে বলতে পারবেন না কন্ডিশন কেমন হবে। এটা দ্রুত পরিবর্তনশীল একটা রোগ।’

গত ১০ এপ্রিল বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আরটি পিসিআর পদ্ধতিতে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরদিন ১১ এপ্রিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রতিবেদনে তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ সনাক্ত হয়। খালেদা জিয়া ছাড়াও তার গৃহকর্মী ফাতেমাসহ বাসার মোট নয়জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। রায় ঘোষণার পর তাকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রাখা হয়। কিছুদিন পর কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুই বছরের বেশি সময় কারাগারে থাকার পর করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে গত বছরের ২৫ মার্চ পরিবারের আবেদনে তাকে শর্তসাপেক্ষে ৬ মাসের জামিনে মুক্তি দেয় সরকার, যা তিন দফায় বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। খালেদা জিয়ার সঙ্গে শুধুমাত্র তার পরিবারের সদস্য ও ব্যক্তিগত চিকিৎসক ছাড়া অন্য কেউ দেখা করতে পারেন না। ৭৬ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী অস্টিও আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছেন।

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর