, | |

মূলপাতা চট্ট-মেট্টো

টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরজুড়ে জলাবদ্ধতা, পাহাড়ধসের আশঙ্কা


প্রকাশের সময় :৬ জুন, ২০২১ ৭:১০ : অপরাহ্ণ

টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম নগর পানিতে তলিয়ে গেছে। আজ রোববার (৬ জুন) সকাল থেকে টানা বৃষ্টি হচ্ছে বন্দরনগরীতে। নগরীর বিভিন্ন এলাকা সকাল থেকে ডুবে আছে হাঁটু থেকে কোমর সমান পানিতে। সড়ক রূপ নিয়েছে খালে। নগরী যেন ভাসছে পানিতে। এতে বিভিন্ন এলাকার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আজ সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টায় ৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে চট্টগ্রামে।

সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে ওয়াসার মোড়, বাকলিয়ার চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ, আগ্রাবাদ সিডিএ, হালিশহর, অক্সিজেন, বহদ্দারহাট, চকবাজার, বাদুরতলা, কাতালগঞ্জ, শুলকবহর, মুরাদপুর, ষোলশহর ২ নম্বর গেট, চান্দগাঁও, মোহরাসহ নগরীর বড় অংশজুড়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ওয়াসা মোড় থেকে বহদ্দারহাট পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার এলাকা সড়কের পুরোটাই থইথই করছিল পানিতে। অপরদিকে বহদ্দারহাট থেকে চান্দগাঁও মৌলভীপুকুরপাড় পর্যন্ত আরাকান সড়কের প্রায় আড়াই কিলোমিটার ছিল জলমগ্ন। চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ-চাকতাই এলাকায়ও পানি উঠেছিল। চাক্তাই এলাকায় কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি প্রবেশ করেছে।

বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে মুরাদপুর, ওয়াসা মোড়, প্রবর্তক মোড় এলাকায় যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। দুপুরে প্রবল বর্ষণে পানিতে ভাসতে থাকে চকবাজার কাঁচাবাজারের দোকানপাটগুলো। বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও বিপণিকেন্দ্রের নিচতলায় পানি ঢুকে পড়ে।

টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ধসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বসতি থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিতে অভিযান শুরু করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

নগরীর লালখান বাজার মতিঝর্না, বাটালি পাহাড়, টাংকির পাহাড় এলাকা থেকে প্রায় ২০০ জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এছাড়া ফিরোজ শাহ এলাকার পাহাড় থেকে ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি পরিবার আত্মীয়-স্বজনের ঘরে আশ্রয় নিয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক জানান, ঝুঁকিপূর্ণ বসতি থেকে লোকজনকে সরাতে ছয়জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান চলছে। মাইকিং চলছে বিভিন্ন পাহাড়ে। মতিঝর্না এলাকায় ইতোমধ্যে ৪০টি পরিবারের ২০০ জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর