, | |

মূলপাতা আইন-আদালত

ঢাকা-১১: বিএনপির কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নাহিদের রিট


নাহিদ ইসলাম ও ড. এম এ কাইয়ুম। ছবি: সংগৃহীত
রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় :২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:০৩ : অপরাহ্ণ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১১ আসনে রাজনৈতিক উত্তাপ এবার হাইকোর্টে গিয়ে ঠেকেছে। দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে এই আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

আজ সোমবার ঢাকা-১১ আসনে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এই রিট করেন।

রিটে ড. কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিত করার পাশাপাশি তার মনোনয়নপত্র কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়েছে।

নাহিদ ইসলামের পক্ষের রিটকারী আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা বলেন, ‘আমরা রিটটি দাখিল করেছি। আশা করছি, চলতি সপ্তাহেই হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে এই আবেদনের ওপর শুনানি হবে।’

রিট আবেদনকারীর দাবি অনুযায়ী, ড. এম এ কাইয়ুম বিদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন এবং নির্বাচনী হলফনামায় এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি গোপন করেছেন। বাংলাদেশের সংবিধান ও নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন না। এই আইনি সীমাবদ্ধতাকে হাতিয়ার করেই তার প্রার্থিতা বাতিলের দাবি তোলা হয়েছে।

এর আগে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় নির্বাচন কমিশন ড. এম এ কাইয়ুমের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করেছিল। তখন থেকেই নাহিদ ইসলাম এবং এনসিপি জোটের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হচ্ছিল। কমিশন থেকে সন্তোষজনক প্রতিকার না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হলেন।

ড. এম এ কাইয়ুম বর্তমানে বিএনপির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।

এর আগে গতকাল দ্বৈত নাগরিকত্বের তথ্য গোপনের কারণে কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়া এবং খেলাপি ঋণের তথ্য গোপন করায় কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর করা লিভ টু আপিল খারিজ হয়ে গেছে। তারা আর নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

আরও পড়ুন: গুমের সময় যে সেনা কর্মকর্তাকে চিনে ফেলেন ব্রিগেডিয়ার আযমী

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর