, | |

মূলপাতা জাতীয়

এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন যারা


এম এ জি ওসমানী, কবি আল মাহমুদ, আজম খান, বদরুদ্দীন উমর, ফজলে হাসান আবেদ, নভেরা আহমেদ ও আবরার ফাহাদ।
প্রকাশের সময় :৬ মার্চ, ২০২৫ ৫:০১ : অপরাহ্ণ

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন। এর মধ্যে সাত জনের নাম জানা গেছে। বাকি দুজনের নাম এখনো জানা যায়নি।

আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

যাদের নাম জানা গেছে তারা হলেন-মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানী (মরণোত্তর), পপ সম্রাট আজম খান (মরণোত্তর), লেখক ও ইতিহাসবিদ বদরুদ্দীন উমর (মরণোত্তর), স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর), ভাস্কর নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর), কবি আল মাহমুদ (মরণোত্তর), বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)। আরও দুজনকে এ পদক দেওয়া হয়েছে। তাদের নাম এখনো জানা যায়নি।

 

উল্লেখ্য, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য স্বাধীনতা পদক দেওয়া হয়। এটি দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেককে ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম সোনার পদক, সম্মানীর অর্থের চেক ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

এদিকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২৫ সালে ১৭ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল একুশে পদক পেয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই পদক তুলে দেন।

শিল্পকলার বিভিন্ন শ্রেণিতে পদক পাওয়া পাঁচজন হলেন- চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর), সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) এবং ফেরদৌস আরা, আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন ও চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা। আজিজুর রহমানের পক্ষে তার কন্যা আলিয়া রহমান বিন্দি ও নিরোধ বরণ বড়ুয়ার মেয়ে শিল্পী ফাল্গুনী বড়ুয়া পদক গ্রহণ করেন।

সাংবাদিকতায় এবার একুশে পদক পেয়েছেন সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ (মরণোত্তর)। তার পক্ষে পদক নেন তার স্ত্রী। সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে পদক পেয়েছেন দৈনিক আমার দেশ-এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

এ ছাড়া সংস্কৃতি ও শিক্ষা ক্যাটাগরিতে ড. শহীদুল আলম, শিক্ষায় ড. নিয়াজ জামান, সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর) একুশে পদক জিতেছেন। ইউসুফ চৌধুরীর পক্ষে তার ছেলে জসিম উদ্দীন চৌধুরী পদক গ্রহণ করেন।

ভাষা ও সাহিত্য ক্যাটাগরিতে পদক পেয়েছেন কবি হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর) এবং শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর)। হেলাল হাফিজের পক্ষে তার বড় ভাই দুলাল আবদুল হাফিজ এবং শহীদুল জহিরের পক্ষে তার বড় ভাই হাবিবুল হকের কাছে পদক হস্তান্তর করা হয়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দলগতভাবে একুশে পদক পেয়েছেন মেহেদী হাসান খান (দলনেতা), রিফাত নবী (দলগত), মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম (দলগত) ও শাবাব মুস্তাফা। গবেষণায় মঈদুল হাসান একুশে পদক পেয়েছেন। এ ছাড়া ক্রীড়াক্ষেত্রে একুশে পদক পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল। জাতীয় নারী ফুটবল দলের পক্ষে দলনেতা সাবিনা খাতুন ও সহযোগী দলনেতা মারিয়া মান্দা পদক গ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে শিল্পপতি সুফি মিজানের অনন্য অবদান

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর