, | |

মূলপাতা বিএনপি

নেতাকর্মীদের সঙ্গে ৭ কিলোমিটার হেঁটে র‌্যালি করলেন তারেক রহমান


জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদক, ঢাকা প্রকাশের সময় :৭ নভেম্বর, ২০২৬ ৫:৩৪ : অপরাহ্ণ

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে র‌্যালিতে পায়ে হেঁটে নেতাকর্মীদের সঙ্গে অংশ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। র‌্যালিতে ৭ কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ পৌঁছান তারেক রহমান।

বিকেল ৩টার পর নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে র‌্যালির উদ্বোধন করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অংশগ্রহণে র‌্যালিটি জনসমুদ্রে রূপ নেয়। এ সময় স্লোগানে মুখর নেতাকর্মীদের হাতে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড শোভা পায়।

র‌্যালিতে নেতৃত্ব দেন তারেক রহমান। র‍্যালিতে অন্যদের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীসহ আরও অনেকে অংশগ্রহণ করেন।

র‍্যালি শুরুর আগে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া র‌্যালিটি কাকরাইল, প্রধান বিচারপতির বাসভবনের পাশ দিয়ে, হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়।

দেশের ভেতরে-বাইরে থেকে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, জবাব দেওয়া হবে: তারেক রহমান

র‌্যালিপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, অতীতের মতো আবারও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের প্রতিটি অপতৎপরতার জবাব দেওয়া হবে। ষড়যন্ত্র করে বাংলাদেশের মানুষকে কখনো দাবিয়ে রাখা যাবে না।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখো মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে মানুষের অধিকার ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটবে। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন মহল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মেনে নিতে পারেনি। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ বারবার অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এ দেশের মানুষকে দাবিয়ে রাখা সম্ভব নয়। ১৯৭১, ৭ নভেম্বর এবং ২০২৪ সালের মতো আবারও ষড়যন্ত্রকারীদের অপতৎপরতা রুখে দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে তারেক রহমান বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো বিভেদ থাকা উচিত নয়। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী এবং জনগণের ভোটাধিকারের পক্ষে থাকা সব রাজনৈতিক দলকে দেশের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

আরও পড়ুন: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

Rajniti Sangbad


আরও খবর