, | |

মূলপাতা আঞ্চলিক রাজনীতি

জান্নাতের টিকিট বিক্রি করি না, পথ দেখিয়ে দিই: জামায়াত আমীর


চট্টগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর প্রাক্তন সাথী ও সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দলটির আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম প্রকাশের সময় :২০ অক্টোবর, ২০২৬ ৫:০৪ : অপরাহ্ণ

‘জান্নাতের টিকিট’ বিক্রির অভিযোগ প্রসঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা জান্নাতের টিকিট বিক্রি করি না, মানুষকে জান্নাতে যাওয়ার পথ দেখিয়ে দিই।’

আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি কনভেনশন হলে জামায়াতে ইসলামীর প্রাক্তন সাথী ও সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জুলাইয়ে ছাত্র-জনতা লুটেরা ও চাঁদাবাজদের জন্য রক্ত দেয়নি উল্লেখ করে জামায়াত আমীর বলেন, ‘জনগণ কোনোভাবেই লুটতরাজ, চাঁদাবাজি ও অন্যায়-অবিচার মেনে নেবে না। আগামীতে প্রত্যেকটি অপরাধের হিসাব দিতে হবে। মানুষের ওপর জুলুম করা, মানুষের অধিকার হরণ করা এবং অন্যের হক মেরে দেওয়ার জবাবদিহি করতে হবে।’

অতীতে জামায়াতের নেতাকর্মীরা জুলুম-নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘ছাত্রশিবির ও জামায়াতে ইসলামীর সাথী-সদস্যদের আমৃত্যু সংগঠনের কর্মী হিসেবে কাজ করতে হবে। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পরিবর্তনের সূচনা হলেও তা এখনো যথাযথ স্বীকৃতি পায়নি।’

জামায়াত আমীর অভিযোগ করে বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস করে, জামায়াতে ইসলামী মানুষের আমানত রক্ষা করবে। এই বিশ্বাস একদিনে তৈরি হয়নি। ফ্যাসিবাদী আমলে আমাদের ওপর ভিন্ন মাত্রার জুলুম-নির্যাতন চালানো হয়েছে। আমাদের শীর্ষস্থানীয় ১২ জন নেতাকে শতাব্দীর নিকৃষ্ট অপবাদ দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অথচ তারা এক আল্লাহর ওপর অবিচল ঈমান রেখেছিলেন এবং একটি সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন বুকে ধারণ করেছিলেন।’

গত জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনে ভোটের ফলাফল নিয়ে অসন্তোষ থাকলেও বৃহত্তর স্বার্থে তা মেনে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে ভবিষ্যতেও একই পরিস্থিতি মেনে নেওয়া হবে।’

সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ প্রমুখ।

সম্মেলনে জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন।

Rajniti Sangbad


আরও খবর