, | |

মূলপাতা আন্তর্জাতিক

হজযাত্রীদের জন্য নতুন প্যাকেজ ঘোষণা সৌদি আরবের


রাজনীতি সংবাদ ডেস্ক প্রকাশের সময় :৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২:০২ : অপরাহ্ণ

হজযাত্রীদের যাত্রা আরও সহজ ও গোছালো করতে ২০২৭ সালের হজ মৌসুমের জন্য একটি নতুন প্যাকেজ নিয়ে এসেছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। এখন থেকে থাকা, খাওয়া, যাতায়াত এবং পবিত্র স্থানগুলোর সব সেবা একটিমাত্র চুক্তির মাধ্যমেই পাওয়া যাবে। খবর গালফ নিউজের।

সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৭ সালের হজ মৌসুমে বিদেশি হজযাত্রীদের জন্য এই সমন্বিত প্যাকেজ চালু করা হবে। ইলেকট্রনিক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এই প্যাকেজটি দেয়া হবে, যা হাজিরা দেশটিতে পা রাখার পর থেকে শুরু করে দেশে ফেরা পর্যন্ত পুরো সময়টায় দারুণভাবে কাজে লাগবে। এই প্যাকেজে মূলত রয়েছে মক্কা-মদিনায় থাকার ব্যবস্থা, যাতায়াত, ক্যাটারিং বা খাওয়ার বন্দোবস্ত এবং পবিত্র স্থানগুলোর সেবা।

 

মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত প্যাকেজে চারটি প্রধান সেবা রাখা হয়েছে। এগুলো হলো- পবিত্র স্থানগুলোতে সেবা, মক্কা ও মদিনায় আবাসন, যাতায়াত এবং খাবারের ব্যবস্থা। এর পাশাপাশি হজযাত্রীদের জন্য অতিরিক্ত কিছু ঐচ্ছিক সেবাও যুক্ত করার সুযোগ থাকবে।

এর বাইরেও হাজিরা চাইলে নিজেদের পছন্দমতো কিছু বাড়তি সুবিধাও বেছে নিতে পারবেন। নতুন এই ব্যবস্থার ফলে বিভিন্ন দেশের হজ এজেন্সিগুলো খুব সহজেই নিজেদের মতো করে হাজিদের জন্য মানসম্মত ও নমনীয় প্রোগ্রাম তৈরি করতে পারবে।

১৪৪৮ হিজরি সেশনের প্রস্তুতি হিসেবে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যা সৌদি ভিশন ২০৩০ এর লক্ষ্য পূরণে বড় ভূমিকা রাখবে। এই লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ৭৫টিরও বেশি দেশের হজ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছে মন্ত্রণালয়।

এ ছাড়া পুরো হজ প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল ও ঝামেলামুক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরেই আধুনিক অনলাইন সিস্টেম ব্যবহার করে আসছে সৌদি আরব।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৌদি আরব হজ ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারও ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে। হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চুক্তি সম্পাদন, সেবা পরিচালনা এবং ভিসা-সংক্রান্ত কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় আনা হচ্ছে।

নতুন ‘অল-ইন-ওয়ান’ প্যাকেজও সেই ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ। এর ফলে বিদেশি হজযাত্রীদের সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, হজবিষয়ক দফতর এবং সৌদি কর্তৃপক্ষ- সব পক্ষের কার্যক্রম একই ডিজিটাল কাঠামোর মধ্যে সমন্বয় করার সুযোগ তৈরি হবে।

সৌদি কর্তৃপক্ষের আশা, একক ইলেকট্রনিক চুক্তির মাধ্যমে হজের বিভিন্ন সেবা আরও স্বচ্ছ ও নমনীয়ভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের হজযাত্রীদের প্রয়োজন ও গ্রুপভিত্তিক চাহিদা অনুযায়ী সেবা পরিকল্পনা তৈরির সুযোগও বাড়বে।

Rajniti Sangbad


আরও খবর