, | |

মূলপাতা চট্ট-মেট্টো

ব্যবসায়ীকে হত্যাচেষ্টা, আসামি ডা. তৈয়ব সিকদারকে গ্রেপ্তার করছে না পুলিশ


গত ৮ জুন নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী শাহ আলম চৌধুরী।
রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় :১০ জুন, ২০২৬ ১০:১৫ : পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রাম নগরীতে মো. শাহ আলম চৌধুরী নামের এক ব্যবসায়ীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ডেন্টাল চিকিৎসক তৈয়ব সিকদারের বিরুদ্ধে। গত ২৫ মে সন্ধ্যায় নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি এলাকায় ওই ব্যবসায়ীকে হত্যাচেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় মামলা দায়ের করার পরও আসামি ডা. তৈয়ব সিকদারকে গ্রেপ্তার করছে না পুলিশ। উল্টো ভুক্তভোগী ওই ব্যবসায়ীকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

এ অবস্থায় সংবাদ সম্মেলন করে ডা. তৈয়ব সিকদারের বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. শাহ আলম চৌধুরী। গত ৮ জুন নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শাহ আলম চৌধুরী বলেন, গত ২৫ মে নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি কেন্দ্রীয় মসজিদে নামাজ আদায় শেষে গাড়িযোগে বাসায় ফেরার পথে পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলা চালানো হয়। হাউজিং সোসাইটির ইলিজি টাওয়ার সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে ডাক্তার তৈয়ব সিকদারের রাস্তার ওপর টানানো একটি রশি আমার গলায় প্যাঁচিয়ে যায়। এতে গাড়ি থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হই। এ সময় আমি দ্রুত ৯৯৯ ফোন করলে পাঁচলাইশ থানার এসআই নুরুজ্জামান ঘটনাস্থলে আসেন। তখন সেখানে থাকা তৈয়ব সিকদারকে রাস্তায় রশি টানানোর বিষয়ে জানতে চান এসআই। প্রশ্নের উত্তরে তৈয়ব সিকদার বলেন, ‘মরে গেলে লাশ ফেলে দেওয়ার জন্য।’ এরপরই তৈয়ব সিকদার তার মোবাইলে একজন এসপির সঙ্গে কথা বলতে বলেন এসআই নুরুজ্জামানকে। এরপর এসআই ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।

 

এই ব্যবসায়ী জানান, হামলার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। এ ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় মামলা করা হলেও এখন পর্যন্ত আসামি ডাক্তার তৈয়ব সিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। উল্টো অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে মামলা প্রত্যাহার, আপসের জন্য বিভিন্নভাবে চাপ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

শাহ আলম চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার পর অভিযুক্তদের কয়েকজন ঘটনাস্থলে এসে আমাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এক পর্যায়ে আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘মরে গেলে লাশ ফেলে দেওয়া হতো’।

মামলা দায়ের করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন অভিযোগ করে এই ব্যবসায়ী বলেন, মামলা করতে গেলে নগরীর পাঁচলাইশ থানার এসআই নুরুজ্জামান মামলা নেননি। ওসিও বিষয়টি এড়িয়ে যান। পরে সহকারী পুলিশ কমিশনারের হস্তক্ষেপে মামলা নিতে বাধ্য হন। মামলায় ডা. তৈয়ব সিকদারকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। সহকারী পুলিশ কমিশনার পুরো ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিলেও তদন্তকারী কর্মকর্তা কাজ করছেন না।

এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শান্তি এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান শাহ আলম।

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর