, | |

মূলপাতা আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের


ছবি: সংগৃহীত
রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় :৩ জুন, ২০২৬ ১২:০৬ : অপরাহ্ণ

জোরপূর্বক শ্রমে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে তৈরি পণ্য মার্কিন বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করছে। তাই এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ৬০টি দেশ থেকে আমদানির ওপর ১০ থেকে সাড়ে ১২ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় বা ইউএসটিআর আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাবটি প্রকাশ করে। এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ‘ধারা ৩০১’-এর অধীনে অন্যায্য বাণিজ্য চর্চা সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ তদন্তের সর্বশেষ ফলাফল।

ইউএসটিআর তাদের তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে জানিয়েছে, জোরপূর্বক শ্রমের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় বাংলাদেশ, কানাডা, ইকুয়েডর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান এবং যুক্তরাজ্য থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, তদন্তের আওতায় থাকা বাকি ৪৫ দেশের ওপর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্কারোপ করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব দেশের অর্থনীতি জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্য রোধে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে এবং এই ব্যর্থতা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, যেসব দেশে আংশিক জোরপূর্বক শ্রম আমদানি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বা যাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি আছে, তারা অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্কের মুখোমুখি হবে। আর যেসব দেশের সঙ্গে এমন কোনো চুক্তি নেই, তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির ক্ষেত্রে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত উচ্চ শুল্কের মুখে পড়তে পারে।

প্রস্তাবিত শুল্ক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নিয়ে আগামী ৬ জুলাই পর্যন্ত জনমত গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে ৭ জুলাই একটি গণশুনানির আয়োজন করবে ইউএসটিআর।

এমন একটি সময়ে ট্রাম্প প্রশাসন এই নতুন প্রস্তাবটি দিলো, যখন আগামী ২৪ জুলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরোপি সর্বজনীন অস্থায়ী ১০ শতাংশ শুল্কের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি এই অস্থায়ী শুল্ক আরোপ করেছিল। একই দিনে সুপ্রিম কোর্ট আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক বাতিল করে দেয়।

আরও পড়ুন: খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর