জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও নভেম্বরে গণভোটের দাবিসহ পাঁচ দফা দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াত ইসলামীসহ আন্দোলনরত আটটি রাজনৈতিক দল।
নতুন কর্মসূচি অনুযায়ী, ৩০ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের কাছে স্মারকলিপি দেবে দলগুলো। ৩ নভেম্বর শীর্ষ নেতারা সংবাদ সম্মেলনে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃবৃন্দ বলেন, গণভোট ব্যতীত জুলাই জাতীয় সনদ আইনগত টেকসই ভিত্তি পাবে না। গণভোটের বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন। আমরা মনে করি, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নভেম্বর মাসের মধ্যে গণভোট সম্পন্ন করতে হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, উপদেষ্টা পরিষদ ইতোমধ্যে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধনীর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা লক্ষ্য করছি, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের কিছু বিষয় পরিবর্তনের জন্য একটি রাজনৈতিক দল দাবি জানিয়েছে। এ দাবি কোনো অবস্থাতেই গ্রহণ করার সুযোগ নেই।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে দাবি ও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
৫ দফা দাবি হলো-
১. জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও উক্ত আদেশের ওপর আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোট আয়োজন করা।
২. আগামী জাতীয় নির্বাচনে সংসদের উভয় কক্ষে/উচ্চ কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করা।
৩. অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সকলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।
৪. ফ্যাসিস্ট সরকারের সকল জুলুম নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা।
৫. স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কাযর্ক্রম নিষিদ্ধ করা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমদ, খেলাফত মজলিস মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলামী পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, জাগপা মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মহাসচিব নিজামুল হক নাঈম।
আরও পড়ুন: ঐকমত্য কমিশন প্রতারণা করেছে: মির্জা ফখরুল
