, | |

মূলপাতা চট্ট-মেট্টো

চিটাগাং চেম্বারের নির্বাচনে জোট বাঁধলো আ.লীগ-বিএনপির দুই ব্যবসায়ী


রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় :২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ৬:০১ : অপরাহ্ণ

চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচনে আওয়ামী লীগপন্থী ব্যবসায়ী ও এশিয়ান-ডাফ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুস সালামের সঙ্গে জোট বেঁধে প্যানেল দিচ্ছেন বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী। আমীর হুমায়ুন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ছোট ভাই।

এর আগে আমীর হুমায়ুন চেম্বারের নির্বাচন নিয়ে চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ লতিফের সঙ্গে সমঝোতা করেন। কারাবন্দি লতিফের নিয়ন্ত্রণে থাকা চেম্বারের টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলো নিজের কব্জায় নিতে সমঝোতা করেন আমীর হুমায়ুন। এবার আরেক আওয়ামী লীগ নেতা আবদুস সালামের সঙ্গে জোট বেঁধে প্যানেল দিতে যাচ্ছেন তিনি।

আবদুস সালামের আগে চেম্বারের সাবেক পরিচালক আমজাদ হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে জোট বাঁধার চেষ্টা করেন আমীর হুমায়ুন। আমজাদ চৌধুরী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরীর ছোট ভাই। তিনি চেম্বারের নির্বাচনে একক প্যানেল নিয়ে অংশ নিচ্ছেন। আমীর হুমায়ুন গত ১৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তার মেহেদীবাগের বাসায় আমজাদ চৌধুরীকে ডেকে আনেন। তিনি তাকে তার প্যানেল থেকে সিনিয়র সহসভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দেন। কিন্তু আমজাদ চৌধুরী সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। একই সময় আমীর হুমায়ুন চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিনের সঙ্গেও বৈঠক করেন। আমীর হুমায়ুন তার প্যানেলের হয়ে জামায়াতপন্থী ব্যবসায়ীদের নির্বাচন করার ‘প্রস্তাব’ দেন নুরুল আমিনকে। কিন্তু নুরুল আমিন তাতে সাড়া দেননি।

জানা গেছে, আমজাদ চৌধুরী ও জামায়াতপন্থী ব্যবসায়ী প্যানেল সাড়া না দেওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েন আমীর হুমায়ুন। এরপর তিনি আওয়ামী লীগ নেতা আবদুস সালামের দ্বারস্থ হন।

এশিয়ান-ডাফ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুস সালাম আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক উপকমিটির ২৩ নম্বর সদস্য। ২০২৩ সালের ৮ জুলাই তিনি এই কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।

চিটাগাং চেম্বারের নির্বাচনে জোট বাঁধলো আ.লীগ-বিএনপির দুই ব্যবসায়ী

এর আগে ২০২২ সালের ২৫ মে চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউড়ি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্যপদ গ্রহণ করেন। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের কাছ থেকে তিনি সদস্যপদ গ্রহণ করেছিলেন।

চিটাগাং চেম্বারের নির্বাচনে জোট বাঁধলো আ.লীগ-বিএনপির দুই ব্যবসায়ী
চট্টগ্রাম নগরীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের কাছ থেকে আওয়ামী লীগের সদস্যপদ গ্রহণ করেন আবদুস সালাম।

আবদুস সালামের ছেলে এশিয়ান–ডাফ গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাকিফ আহমেদ সালামও আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তিনি ২০২৩ সালের ৩১ জুলাই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপকমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। এই আওয়ামী লীগ নেতা গত ৩১ মে অনুষ্ঠিত বিজিএমইএ’র নির্বাচনে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ‘ফোরাম প্যানেল’ থেকে পরিচালক নির্বাচিত হন।

চিটাগাং চেম্বারের নির্বাচনে জোট বাঁধলো আ.লীগ-বিএনপির দুই ব্যবসায়ী
২০২২ সালের ১৭ মার্চ কেক কেটে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উদযাপন করেন আবদুস সালাম ও তার ছেলে সাকিফ আহমেদ সালাম।

২০২২ সালের ১৭ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রামের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় মেজবানের আয়োজন করেছিলো এশিয়ান-ডাফ গ্রুপ। এ সময় সেখানে কেক কেটে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উদযাপন করেন আবদুস সালাম ও তার ছেলে সাকিফ আহমেদ সালাম।

২০১৩ সালে চিটাগাং চেম্বারের নির্বাচনে মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহিমের সঙ্গে জোট বেঁধে নির্বাচন করেছিলেন আবদুস সালাম। কিন্তু তারা মাহবুবুল আলম-নুরুন নেওয়াজ সেলিমের প্যানেলের কাছে পরাস্ত হন।

এবার আবদুস সালামকে নিয়ে চেম্বারের নির্বাচনে জোট বেঁধেছেন আমীর হুমায়ুন চৌধুরী। জোটবদ্ধ হয়ে তারা নির্বাচনে প্যানেল দিচ্ছেন। ইতোমধ্যে তাদের প্যানেল থেকে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে সীকম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আমিরুল হকের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ লতিফের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তিনি ২০০৮ সালের চেম্বার নির্বাচনে লতিফের প্যানেল থেকে বিনা ভোটে পরিচালক হয়েছিলেন।

আমীর হুমায়ুনের সঙ্গে জোট বাঁঁধার বিষয়ে জানতে চাইলে এশিয়ান-ডাফ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুস সালাম রাজনীতি সংবাদকে বলেন, ‘চেম্বারের নির্বাচনে হুমায়ুন সাহেব একটা প্যানেল দিচ্ছেন। তার প্যানেলের জন্য আমার সাপোর্ট চেয়েছেন। সেজন্য আমি তার প্যানেলের সাথে যুক্ত হয়েছি।’

আপনাদের প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী কে হচ্ছেন-এ প্রশ্নের জবাবে আবদুস সালাম বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমিরুল হককে আমাদের প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী ঘোষণা করেছি। আমরা সবাই এখন তার নেতৃত্বে কাজ করছি।’

জানা গেছে, আবদুস সালামের ভাতিজা ওয়াইএনটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাওসিফ আহমেদ নির্বাচনে পরিচালক পদে মনোনয়নপত্র নিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ভাতিজা তাওসিফ আহমেদ ছাড়াও আবদুস সালামের ঘনিষ্ঠ আরও অন্তত ১৫ জন ব্যবসায়ী পরিচালক পদে মনোনয়নপত্র নিয়েছেন। গত ২৩ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের দিন চেম্বারের নির্বাচন বোর্ডের প্রধান মনোয়ারা বেগমের ২০৯ নম্বর কক্ষে আবদুস সালামের পিএস আলী উসমান উপস্থিত ছিলেন। তিনি সেদিন আমীর হুমায়ুন-আবদুস সালামের প্যানেলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রের কপি সরবরবাহ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আলী উসমান রাজনীতি সংবাদের কাছে বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘আমি সেদিন আমীর হুমায়ুন চৌধুরীর নির্দেশে সেখানে উপস্থিত ছিলাম। তাদের প্যানেলের প্রার্থীদের সহযোগিতা করার জন্য তিনি আমাকে সেখানে পাঠান।’

আওয়ামী লীগ নেতা আবদুস সালামের সঙ্গে আমীর হুমায়ুনের জোট বাঁধা নিয়ে চট্টগ্রামের বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী মহলে নানা সমালোচনা চলছে।

সাবেক সংসদ সদস্য এম এ লতিফের সঙ্গে সমঝোতার পর আরেক আওয়ামী লীগ নেতা আবদুস সালামের সঙ্গে জোট বাঁধা নিয়ে আমীর হুমায়ুনের ওপর চরম ক্ষেপেছেন চেম্বারের বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ীরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে চেম্বারের বিএনপিপন্থী এক ব্যবসায়ী নেতা রাজনীতি সংবাদকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, চেম্বার নির্বাচন নিয়ে আমীর হুমায়ুন আওয়ামী লীগের ব্যবসায়ীদের সাথে আঁতাত করে চট্টগ্রামে বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট করে ফেলেছেন। এর পেছনে তার বড় ভাইয়েরও ভূমিকা রয়েছে। তারা ব্যক্তি স্বার্থের জন্য দলের ভাবমূর্তিকে জলাঞ্জলি দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের অত্যাচার-নির্যাতনে বিএনপির যেসব নেতাকর্মী মারা গেছেন, তাদের রক্তের সাথে তারা বেইমানি করেছেন।

মেম্বার না হয়েও প্যানেল দিচ্ছেন আমীর হুমায়ুন!
আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী বর্তমানে চিটাগাং চেম্বারের মেম্বারও না, ভোটারও না। চিটাগাং চেম্বারের মেম্বার সেকশনের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা রাজনীতি সংবাদকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, চেম্বারের ২০০২ সালের নির্বাচনে বিনা ভোটে ট্রেড গ্রুপের ‘চিটাগাং ফিশ সাপ্লায়ার্স গ্রুপ’ থেকে পরিচালক হয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন আমীর হুমায়ুন।

তিনি চিটাগাং চেম্বারের সাবেক সভাপতি হলেও বর্তমানে এই সংগঠনে তার সদস্যপদ নেই। সদস্য না হয়েও আমীর হুমায়ুন চেম্বারের নির্বাচনে প্যানেল দিতে যাচ্ছেন। এ নিয়ে চেম্বারের ব্যবসায়ীদের অনেকে তার সমালোচনা করছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী রাজনীতি সংবাদকে বলেন, ‘আমি চেম্বারের মেম্বার না হলেও এদেশের একজন স্বাধীন নাগরিক। চেম্বারের একজন সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসেবে চেম্বারের মঙ্গলের জন্য আমি প্যানেল দিচ্ছি।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে চেম্বারের একজন ব্যবসায়ী নেতা রাজনীতি সংবাদকে বলেন, আমীর হুমায়ুনের যেহেতু এখন চেম্বারের সদস্যপদ নেই, তাই নির্বাচনে প্যানেল দেওয়ার নৈতিক অধিকার তার নেই। মূলত আওয়ামী লীগ নেতা লতিফের মতো তিনিও চেম্বারকে নিজেদের পরিবারের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য প্যানেল দিচ্ছেন। লতিফের হাতছাড়া হওয়ার পর আমীর হুমায়ুন এখন চেম্বারকে তার পারিবারিক প্রতিষ্ঠান মনে করছেন।

ফজলুল হককে ফোন আমীর খসরুর
চিটাগাং চেম্বারের নির্বাচনে এস এম নুরুল হকের নেতৃত্বে বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ীদের একাংশ এবং শাহজাহান মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে জামায়াতপন্থী ব্যবসায়ীরা মিলে যৌথভাবে একটি প্যানেল দিচ্ছেন। নুরুল হক একজন আলোচিত ব্যবসায়ী নেতা। তিনি চেম্বারের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি। এ ছাড়া তিনি এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক এবং বিজিএমইএ’র সাবেক প্রথম সহসভাপতি। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হকের ছোট ভাই। অপরদিকে শাহজাহান মহিউদ্দিন জামায়াতপন্থী ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট অ্যান্ড বিজনেসম্যান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন (আইবিডব্লিউএফ)’ চট্টগ্রাম বিভাগের সেক্রেটারি। গত ২৫ সেপ্টেম্বর চেম্বারের নির্বাচন বোর্ড শাহজাহান মহিউদ্দিনের প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা করলেও তিনি শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) আপিল করেছেন।

জামায়াতপন্থী ও বিএনপির একাংশের ব্যবসায়ীদের এই প্যানেলকে চেম্বার ব্যবসায়ীদের অনেকে ‘শক্তিশালী প্যানেল’ হিসেবে দেখছেন।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, নুরুল হক ও শাহজাহান মহিউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন প্যানেল নিয়ে ‘ভীতসন্ত্রস্ত’ হয়ে পড়েছেন আমীর হুমায়ুন। জামায়াতপন্থী ব্যবসায়ীদের থেকে নুরুল হককে বিচ্ছিন্ন করতে তিনি নানাভাবে চেষ্টা চালাচ্ছেন। এ নিয়ে কয়েক দিন আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হককে ফোন করেছেন। আমীর খসরু হলেন আমীর হুমায়ুনের বড় ভাই। আর ফজলুল হক হলেন নুরুল হকের বড় ভাই।

সংশ্লিষ্ট সূত্রটি জানিয়েছে, আমীর খসরু ফজলুল হককে ফোন করে জামায়াতপন্থী ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নুরুল হক কেন প্যানেল করেছেন তা জানতে চান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক রাজনীতি সংবাদকে বলেন, ‘খসরু সাহেবকে আমি পরিস্কারভাবে বলে দিয়েছি, শুধু চিটাগাং চেম্বার না, চট্টগ্রামের কোনো বাণিজ্য সংগঠনের বিষয়ে আমি মাথা ঘামাই না।’

উল্লেখ্য, আগামী ১ নভেম্বর চট্টগ্রাম ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে চেম্বারের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চেম্বারের ২৪টি পরিচালক পদে নির্বাচন হবে। তবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ১৮টি পদে। এর মধ্যে অর্ডিনারির ১২টি পদ ও অ্যাসোসিয়েট ক্যাটাগরির ৬টি পদ। তবে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের ৬টি পদে নির্বাচন হবে না। এই দুটি ক্যাটাগরিতে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের ছয়জন একক প্রার্থী থাকায় তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন।

আরও পড়ুন:

চিটাগাং চেম্বারের নির্বাচনে বিএনপি-আ.লীগ ‘সমঝোতা’

চিটাগাং চেম্বারের নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা!

চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন চাইতে পারেন আমজাদ হোসেন!

শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশনের নির্বাচনে লড়ছেন কারা?

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর