আইনি জটিলতার মুখে পড়েছে চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন। এর ফলে তফসিল ঘোষিত সময়ে আগামী ১ নভেম্বর নির্বাচন হবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
চেম্বারের দুটি বিষয় নিয়ে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো নির্বাচনে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের অংশগ্রহণ এবং অন্যটি হলো প্রেসিডিয়াম নির্বাচনের প্রক্রিয়া।
গত ২০ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চিটাগাং চেম্বারের টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপকে বিলুপ্ত করে দেয়। এ নিয়ে চেম্বার প্রশাসককে একটি চিঠি পাঠায় মন্ত্রণালয়। চিঠিতে প্রশাসককে চেম্বারের নির্বাচনে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপকে ভোট প্রদানের সুযোগ না দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
কিন্তু গত ৩১ আগস্ট রাতে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোর সদস্যপদ নবায়ন করা হয়। যা নিয়ে ব্যবসায়ী মহলে তীব্র সমালোচনা হয়। এ নিয়ে গত ৭ সেপ্টেম্বর রাজনীতি সংবাদে ‘৩১ আগস্ট রাতে কী হয়েছিলো চিটাগাং চেম্বারে?’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
এরপর গত ৪ সেপ্টেম্বর চেম্বারের নির্বাচন বোর্ড প্রধানকে এক চিঠিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ফিস পরিশোধপূর্বক সদস্যপদ নবায়ন করায় টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হোক।
কিন্তু গত ৩১ আগস্ট নির্ধারিত অফিস সময়ের পরে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোর সদস্যপদ নবায়নের ঘটনায় চেম্বারের অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ‘শাস্তিমূলক ব্যবস্থা’ নিয়েছেন চেম্বার প্রশাসক মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নূরী। গত ১৭ সেপ্টেম্বর চেম্বারের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি সৈয়দ সালাউত উল্লাহ ও অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার শিবম বৈদ্যকে নির্বাচনকালীন সময় পর্যন্ত চাকরি থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনার পর জামায়াতপন্থী ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট অ্যান্ড বিজনেসম্যান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন (আইবিডব্লিউএফ)’ গত ১৮ সেপ্টেম্বর একটি লিখিত চিঠি দিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপকে বিলুপ্ত করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব বরাবর পাঠানো সেই চিঠিতে বলা হয়, গত ৩১ আগস্ট নির্ধারিত অফিস সময়ের পরে চেম্বারের কার্যালয়ে প্রবেশ করে সন্ত্রাসী কায়দায় অফিস স্টাফদেরকে জোরপূর্বক টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোর সদস্যপদ নবায়নের রশিদ দিতে বাধ্য করা হয়। যা সম্পূর্ণ বেআইনী। এ অবস্থায় আমরা টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপকে বিলুপ্ত করে দেওয়ার অনুরোধ করছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট অ্যান্ড বিজনেসম্যান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি শাহজাহান মহিউদ্দিন রাজনীতি সংবাদকে বলেন, ‘টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলো ভোটার তালিকাভুক্ত হলেও চেম্বার কর্তৃপক্ষ এখনো তাদের সদস্যপদ নবায়ন করেনি। গত ৩১ আগস্ট নির্ধারিত অফিস সময়ের পরে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধি চেম্বারে প্রবেশ করে সন্ত্রাসী কায়দায় জোরপূর্বক সদস্যপদ নবায়নের রশিদ নিয়েছে। এ ঘটনায় চেম্বার কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। এতে প্রমাণিত হয়েছে, নিয়মবহির্ভূতভাবে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোকে রশিদ দেওয়া হয়েছে। যেহেতু নিয়মবহির্ভূতভাবে তাদের সদস্যপদ নবায়ন করা হয়েছে, তাই এই দুই ক্যাটাগরিকে বিলুপ্ত করে নির্বাচনের অংশগ্রহণের সুযোগ না দিতে আমরা মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি।’
যদি ভোটের আগে মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেয় সেক্ষেত্রে আপনাদের করণীয় কী হবে-এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা হাইকোর্টে রিট করবো।’
গত ১৪ সেপ্টেম্বর চেম্বার নির্বাচনের আপিল বোর্ড টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপকে ভোটার তালিকাভুক্ত করে। এর মধ্যে টাউন অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে চারটি এবং ট্রেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠান রয়েছে তিনটি। এই সাতটি প্রতিষ্ঠান থেকে যারা ভোটার হয়েছেন তাদের মধ্যে একজন ছাড়া বাকিরা সবাই সাবেক এমপি এম এ লতিফের ঘনিষ্ঠ ও আওয়ামী লীগপন্থী ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। কেবল ট্রেড গ্রুপের চিটাগাং টায়ার টিউব থেকে ভোটার হওয়া এস এম সাইফুল আলম হলেন বিএনপি নেতা।
এদিকে চেম্বারের প্রেসিডিয়াম (সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি ও সহসভাপতি) নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়েও আইনি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। প্রেসিডিয়াম নির্বাচন কি পরিচালকদের গোপন ভোটে হবে নাকি সদস্য ভোটারদের সরাসরি ভোটে হবে? এ বিষয়ে আইনগত অভিমত জানতে চেয়ে গত ৩১ আগস্ট চেম্বার নির্বাচন বোর্ডের প্রধান মনোয়ারা বেগম বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি চিঠি পাঠান। গত ১৬ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্যানেল আইনজীবী তৌফিক আনোয়ার চৌধুরী এ বিষয়ে আইনগত অভিমত জানিয়ে চেম্বার নির্বাচন বোর্ডের প্রধানকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্যানেল আইনজীবী তৌফিক আনোয়ার চৌধুরী অভিমত দিয়েছেন, বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা-২০২৫ অনুযায়ী, চেম্বারের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি ও সহসভাপতি সরাসরি ভোটে নির্বাচন করার সুযোগ রয়েছে।
কিন্তু বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্যানেল আইনজীবী এই অভিমত দেওয়ার পরও চেম্বার নির্বাচন বোর্ডের প্রধান মনোয়ারা বেগম আগের নিয়মে অর্থাৎ পরিচালকদের গোপন ভোটে প্রেসিডিয়াম নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চেম্বার নির্বাচন বোর্ডের প্রধান মনোয়ারা বেগম রাজনীতি সংবাদকে বলেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্যানেল আইনজীবী দুটি আইনগত অভিমত দিয়েছেন। সরাসরি প্রেসিডিয়াম নির্বাচন করতে হলে তিনি চেম্বারের সংঘবিধি সংশোধনের কথা বলেছেন। কিন্তু নির্বাচিত বোর্ড ছাড়া এখন সংঘবিধি সংশোধনের সুযোগ নেই। তাই আমরা চেম্বারের বিদ্যমান সংঘবিধি অনুযায়ী আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে প্যানেল আইনজীবী পাশাপাশি বাণিজ্য বিধিমালা-২০২৫ অনুযায়ী সরাসরি ভোটে প্রেসিডিয়াম নির্বাচন করার অভিমতও দিয়েছেন।’
দুটি অভিমতের মধ্যে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত কেন নিলেন-এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্যানেল আইনজীবী সরাসরি ভোটে প্রেসিডিয়াম নির্বাচন করার বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু এটা আইনবহির্ভূত।’
তাহলে কি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্যানেল আইনজীবী আইনবহির্ভূত অভিমত দিয়েছেন?-এ প্রশ্নের উত্তরে মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘এটা প্যানেল আইনজীবীর বিষয়।’
নির্বাচন বোর্ড প্রধানের ‘এই ভূমিকা’ নিয়ে চেম্বার ব্যবসায়ীদের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ব্যবসায়ী নেতা রাজনীতি সংবাদকে বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্যানেল আইনজীবীর মতামত উপেক্ষা করে নির্বাচন বোর্ডের প্রধান ব্যবসায়ীদের একটি অংশের পক্ষে সরাসরি অবস্থান নিয়েছেন। তিনি ওই ব্যবসায়ী পক্ষের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি হয়তো তাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন।
সভাপতি হওয়ার ‘মিশনে’ এক শিল্প উদ্যোক্তা, নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য
আমীর হুমায়ুন চৌধুরী তার প্যানেল থেকে সীকম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আমিরুল হককে ‘সভাপতি প্রার্থী’ করতে যাচ্ছেন বলে ব্যবসায়ী মহলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্রও নিয়েছেন।
জানা গেছে, ২০০৮ সালের চেম্বার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতা এম এ লতিফের প্যানেল থেকে বিনা ভোটে পরিচালক হয়েছিলেন সীকম গ্রুপের চেয়ারম্যান আমিরুল হক। ওই নির্বাচনে লতিফ সভাপতি নির্বাচিত হন।
২০০৮ সালের চেম্বার নির্বাচনে লতিফের প্যানেল থেকে নির্বাচিত হওয়া একজন পরিচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে রাজনীতি সংবাদকে জানান, আমিরুল হক তখন সিনিয়র সহসভাপতি হতে অনেক চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি হতে পারেননি।
এদিকে চট্টগ্রামের একজন শিল্প উদ্যোক্তা চেম্বারের সভাপতি হওয়ার ‘মিশনে’ নেমেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি এম এ লতিফের ঘনিষ্ঠ। ‘সুবিধাবাদী’ হিসেবে পরিচিত এই শিল্প উদ্যোক্তা বিএনপিপন্থী এক ব্যবসায়ী নেতার প্যানেল থেকে ‘সভাপতি প্রার্থী’ হতে যাচ্ছেন। এর নেপথ্যে ব্যবসায়ী মহলে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই শিল্প উদ্যোক্তা চিটাগাং চেম্বারের সভাপতি হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তিনি ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঝুঁকি না নিয়ে ট্রেড গ্রুপ থেকে মনোনয়নপত্র নিয়েছেন। তিনি বিনা ভোটে পরিচালক হয়ে সভাপতির চেয়ারে বসতে চান। চেম্বারের অর্ডিনারি ও অ্যাসোসিয়েট গ্রুপ থেকে প্রার্থী হলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হতো তাকে। কিন্তু তিনি ভোটে হেরে যাওয়ার ভয়ে অর্ডিনারি ও অ্যাসোসিয়েট গ্রুপ থেকে প্রার্থী হননি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রটি জানায়, এই শিল্প উদ্যোক্তাকে বিএনপিপন্থী ওই ব্যবসায়ী তার প্যানেল থেকে ‘সভাপতি প্রার্থী’ করার পেছনে একটি ‘গোপন স্বার্থ’ রয়েছে। এই শিল্প উদ্যোক্তা তাকে চেম্বারের সভাপতি বানানোর শর্তে বিএনপিপন্থী ওই ব্যবসায়ীর ভাইয়ের নির্বাচনী খরচ বহন করতে রাজি হয়েছেন। বিএনপিপন্থী ওই ব্যবসায়ীর ভাই চট্টগ্রাম নগরীর একটি আসন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এ কারণেই বিএনপিপন্থী এই ব্যবসায়ী তার প্যানেল থেকে ওই শিল্প উদ্যোক্তাকে যে কোনো ম্যাকানিজম করে চেম্বারের সভাপতি বানাতে উঠেপড়ে লেগেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপিপন্থী একজন ব্যবসায়ী রাজনীতি সংবাদকে বলেন, ৫ আগস্টের পর আমীর হুমায়ুন চৌধুরীর আহ্বানে আমরা আগ্রাবাদ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের সামনে চেম্বারে লতিফের ‘পরিবারতন্ত্র ও স্বৈরতন্ত্রের’ বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছিলাম। এখন আমরা বুঝতেছি, এটা ছিল আমীর হুমায়ুনের স্রেফ ভাওতাবাজি। এর মাধ্যমে তিনি আমাদের মতো সাধারণ ব্যবসায়ীদের ধোঁকা দিয়েছেন। তার আসল চেহারা এখন বেরিয়ে এসেছে। তিনি চেম্বারে লতিফের সহযোগী ও আওয়ামী লীগপন্থী ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন করার প্রকল্প হাতে নিয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে চেম্বারের এক ব্যবসায়ী নেতা রাজনীতি সংবাদকে বলেন, টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ থেকে প্রার্থী হয়ে বিনা ভোটে নির্বাচিত হওয়া একজন শিল্প উদ্যোক্তার জন্য অমর্যাদাকর। এই দুটি ক্যাটাগরি থেকে বিনা ভোটে পরিচালক হয়ে সহজে চেম্বারের সভাপতি কিংবা সিনিয়র সহসভাপতি ও সহসভাপতির পদ দখল করা যায়। কিন্তু যার ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সাহস নেই, তিনি কীভাবে চেম্বারের নেতৃত্ব দেবেন?
আরও পড়ুন:
প্রার্থী ‘খুঁজে পাচ্ছেন না’ আমীর হুমায়ুন, কপালে চিন্তার ভাঁজ!
চিটাগাং চেম্বারের নির্বাচনে বিএনপি-আ.লীগ ‘সমঝোতা’
চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন চাইতে পারেন আমজাদ হোসেন!
৩১ আগস্ট রাতে কী হয়েছিলো চিটাগাং চেম্বারে?
শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশনের নির্বাচনে লড়ছেন কারা?
