, | |

মূলপাতা বিএনপি

হাসনাত আবদুল্লাহর মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন শামসুজ্জামান দুদু


বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ও এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।
প্রকাশের সময় :২০ মে, ২০২৫ ৯:১২ : অপরাহ্ণ

‘আওয়ামী লীগের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিএনপি চলে’-জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর এমন বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতারা যদি একত্রে প্রস্রাব করেন, তাহলে এই প্রস্রাবের তোড়ে ভেসে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়বা। এমন কোনো কথা বলবা না যে কথার দায়িত্ব নিতে পারবা না। বিএনপির সম্পর্কে যে অভিযোগ করছ, সেই অভিযোগের জবাবে বিএনপি যদি শুধু থুথু ফেলে, সেই থুথুর মধ্যে তোমাকে খুঁজে পাওয়া যাবে না।’

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের উদ্যোগে ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতন্ত্র সুশাসন প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় শামসুজ্জামান দুদু এসব কথা বলেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৭ মে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমির হল রুমে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আয়োজিত জুলাই সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম আমরা নিষিদ্ধ করতে পেরেছি কিন্তু আওয়ামী লীগের যে ডোনার, আওয়ামী লীগের অর্থ ব্যবস্থা, সেটা এখনো অক্ষত। আমি কুমিল্লায় আছি, যে উপজেলায় আছি, সেই উপজেলায় আওয়ামী লীগের রাজনীতি এখন আওয়ামী লীগের টাকায় চলে, বিএনপির রাজনীতিও এখন আওয়ামী লীগের টাকায় চলে।’

 

হাসনাত আবদুল্লাহর উদ্দেশে দুদু বলেন, ‘কথা বলার আগে একটু চিন্তাভাবনা করে বলতে হয়। এভাবে কথা বললে তোমাদের সম্বন্ধে মানুষের ধারণা কোথায় যাচ্ছে, একটু চিন্তা করো। এমন কোনো কথা বলবা না যে কথার দায়িত্ব নিতে পারবা না। হিসাব করে চলা, বলা ও গণতন্ত্রের রীতিনীতি না মানলে ফ্যাসিস্ট হিসেবে চিহ্নিত হবা। এ রকম প্রতিহিংসামূলক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে রাজনীতি করা যাবে না।’

গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচনের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এ সরকারের প্রতি জনগণের সমর্থন, আশা ও বিশ্বাস ছিল, সেই সমর্থন, আশা ও বিশ্বাস আস্তে আস্তে টুটে যাচ্ছে। সরকারকে এই জিনিসটা বুঝতে হবে। আমরা ড. ইউনূসের মধ্য দিয়ে একটা ভালো নির্বাচনের প্রত্যাশা করি। যদি ড. ইউনুস ফেল করে, তাহলে সুপ্রিম কোর্টকে অনুরোধ করব, এ দেশে গণতন্ত্রের ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার। সুপ্রিম কোর্টেরও দায়িত্ব আছে দেশ ও জনগণের রক্ষা করা।’

দুদু বলেন, ‘এখনো প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরেও মেয়র হতে দেওয়া হয়নি ইশরাককে। কোর্ট তাঁকে রায় দেওয়ার পরেও শপথ করানো হচ্ছে না। এখন সম্পূর্ণ প্রতিহিংসামূলক কাজ করছে সরকার। লুটপাট চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাককে মেয়র পদে বসতে দিচ্ছে না। কোর্টের আইন যদি কেউ না মানেন, তাঁকে বন্য বা ফ্যাসিস্ট বলা যায়। সরকার সেই লাইনে যাচ্ছে কি না, চিন্তার বিষয়।’

আরও পড়ুন: ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আমলা-কর্মকর্তাদের নাম প্রকাশ

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর