চার মাস চিকিৎসা শেষে লন্ডন থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার সঙ্গে রয়েছেন দুই পুত্রবধূ জুবাইদা রহমান ও সৈয়দা শামিলা রহমান।
আজ সোমবার যুক্তরাজ্য স্থানীয় সময় বিকাল ৪টা ১০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ৯টা ১০ মিনিট) খালেদা জিয়াকে বহনকারী কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির দেওয়া বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সেটি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে।
পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী বিএনপি চেয়ারপারসনকে বিদায় জানাতে হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভিড় করে।
কাতারে অল্প সময়ের যাত্রাবিরতি শেষে মঙ্গলবার (৬ মে) সকাল দশটার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় উঠবেন তিনি।
এর আগে, আজ সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে তারেক রহমান নিজ বাসা থেকে বিমানবন্দরের উদ্দেশে মা খালেদা জিয়াকে নিয়ে বের হন। যুক্তরাজ্য সময় বিকেল ৪টা ১০ মিনিট এবং বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ১০ মিনিটে কাতারের আমিরের দেওয়া বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। সঙ্গে থাকবেন দুই পুত্রবধূ ও মেডিকেল বোর্ডের সদস্যসহ ৯ জন।
গত ৮ জানুয়ারি কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির পাঠানো রাজকীয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। চার মাস পরে আবার সেই বাহনেই দেশে ফিরছেন তিনি।
এদিকে তার আগমন উপলক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বিএনপি। দলীয় নেতাকর্মীদের সুশৃঙ্খলভাবে বিএনপি নেত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
প্রসঙ্গত, উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার সঙ্গে ছিলেন আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান, ছিলেন দীর্ঘদিনের পরিচর্যাকারী গৃহকর্মী ফাতিমা বেগমও।
আরও পড়ুন: সংস্কারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার পক্ষে ইইউ
