ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে চার দিনব্যাপী সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে সীমান্তে হত্যার ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার ব্যাপারে একমত হয়েছিল দুই দেশ। কিন্তু এই বৈঠক শেষ হওয়ার পর আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বিএসএফ। একের পর এক বাংলাদেশিকে হত্যা করছে বেপরোয়া ভারতীয় এই সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
আজ শনিবার ভোরে পঞ্চগড়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আল-আমিন (৩৮) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নে ভিতরগড় এলাকায় মেইন পিলার ৭৪৪-এর ৭ নম্বর সাব পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আল-আমিন একই উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের জিন্নাত পাড়ার সুরুজ আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে আল আমিনসহ কয়েকজন যুবক সীমান্তে গরু আনতে যায়। এ সময় তারা ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে ভারতের ৪৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের ভাটপাড়া ক্যাম্পের টহলরত সদস্যরা তাদের গুলি করে। সকালে প্রায় ৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে আবালুপাড়া নামক স্থানে মরদেহ পরে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে সকালে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ মো. বদরুদ্দোজা সীমান্ত পিলার ৭৪৪/৭ এস এলাকায় ভারতের ৪৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের সঙ্গে পতাকা বৈঠক করেন। পতাকা বৈঠকে এ ঘটনায় কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে মরদেহ ফেরতের আহ্বান জানান তিনি।
বিএসএফের গুলিতে আল-আমিন নিহত হওয়ার খবর পেয়ে তার পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এর আগে গত গত ১ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় বিএসএফের গুলিতে আল-আমীন নামে এক বাংলাদেশি নিহত হন।
আরও পড়ুন: কসবা সীমান্তে বাংলাদেশি যুবককে গুলি করে মারলো বিএসএফ
