ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে চার দিনব্যাপী সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে সীমান্তে হত্যার ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার ব্যাপারে একমত হয়েছিল দুই দেশ। কিন্তু এই বৈঠক শেষ হওয়ার ১০ দিনের মাথায় কসবা সীমান্তে হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে বিএসএফ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার পুটিয়া সীমান্তের ওপারে এই ঘটনা ঘটে। তবে নিহতের মরদেহ এখনও হস্তান্তর করেনি ভারত।
নিহত আল-আমীন (৩২) উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের দক্ষিণ পুটিয়া গ্রামের সুলতান মিয়ার ছেলে।
বিজিবির বরাত দিয়ে কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামিউল ইসলাম জানান, শুক্রবার রাতে আল-আমীন পুটিয়া সীমান্তের কাঁটাতারের ওপারে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় বিএসএফ তাকে চোরাকারবারি সন্দেহে গুলি করে। এতে আলামিন গুরুতর আহত হয়। পরে বিএসএফ তাকে উদ্ধার করে ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দিতে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়। তার লাশ এখনো হস্তান্তর করা হয়নি।
এ বিষয়ে বিজিবির ৬০ ব্যাটালিয়নের সালদানদী ক্যাম্পের ইনচার্জ নায়েক সুবেদার আবু বক্কর জানান, গতকাল শুক্রবার রাতে কসবা সীমান্তে আল-আমিন নামক এক ব্যক্তিকে এক রাউন্ড রাবার বুলেট ফায়ার করে বিএসএফ। এরপর তাকে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়। বিষয়টি আমি আমার অফিসারদের জানিয়েছি। আজকে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে অফিসার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন:
বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে যেসব সিদ্ধান্ত হলো
জাতীয় নাগরিক পার্টির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু
