গত বছরের হালনাগাদে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দেশে বর্তমানে মোট ভোটার ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৩২ হাজার ২৭৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৩৩ লাখ ৬১ হাজার ৬১৫ আর নারী ভোটার ৬ কোটি ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬৩ জন। ভোট বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১.৫৪ শতাংশে।
আজ রোববার সকালে নির্বাচন ভবনে সপ্তম জাতীয় ভোটার দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
এ সময় তিনি বলেন, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নির্বাচন কমিশন।
এবারের ভোটার দিবসের প্রতিপাদ্য ‘তোমার আমার বাংলাদেশে, ভোট দেব মিলেমিশে’। ভোটার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ইসি। বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ভোটার দিবসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সিইসি। এরপর নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়ে র্যালি বের হয়।
এর আগে চলতি বছরের ২ জানুয়ারি ২০২৪ সালে হালনাগাদ করা খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। এতে নতুন করে যুক্ত হয় আরও ১৮ লাখ ৩৩ হাজার ভোটার। ভোটার বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ১২ কোটি ৩৭ লাখে।
তবে প্রত্যাশিত সংখ্যায় নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় এবং মৃত ভোটার বাদ না যাওয়ায় এই তালিকা অসঙ্গতিপূর্ণ বলে ২০ জানুয়ারি থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার হালনাগাদের কাজ শুরু করে সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি। মৃত ভোটার কর্তনের পাশাপাশি বাদ পড়া এবং ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি যাদের বয়স ১৮ হবে তারা হালনাগাদ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন।
ইসির কর্মকর্তারা জানান, খসড়া তালিকার ওপর দাবি-আপত্তি শেষে নতুন ভোটার সংখ্যা ২০ লাখের বেশি বাড়বে বলে মনে করছেন তারা।
জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এএসএম হুমায়ুন কবীর গতকাল বলেন, বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর ২ মার্চ জাতীয় ভোটার দিবস পালন করা হয়। ওই নিয়ম অনুযায়ী আজ ভোটার দিবসে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এর আগে ২ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়।
আরও পড়ুন: রোজার আগে আরেক দফা কমলো স্বর্ণের দাম
