হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত দেশের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে শীত পুরোপুরি জেঁকে বসেছে। কয়েকদিন ধরেই জেলার বিভিন্ন জায়গায় হিমেল হাওয়া ও প্রচণ্ড আর্দ্রতার কারণে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ভোররাত থেকেই ঠান্ডা বাতাস বইতে থাকায় সকাল বেলায় জনজীবনে শীতের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। স্থানীয় জনগণ, বিশেষ করে দিনমজুর, রিকশাচালক, কৃষকসহ নিম্ন আয়ের মানুষেরা শীতের কারণে ভোগান্তিতে পড়ছেন।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এই মৌসুমের অন্যতম কম তাপমাত্রা। এর আগের দিন সোমবার একই সময়ে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রোববার রেকর্ড হয়েছিল ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
কয়েক দিনের এই ধারাবাহিক নিম্ন তাপমাত্রা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে পঞ্চগড় অঞ্চলে শীত স্বাভাবিকের তুলনায় আগেই ও দ্রুতভাবেই নামতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ তাপমাত্রায়ও ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তার আগের দিন রেকর্ড হয়েছিল ২৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ভোর থেকেই হিমেল হাওয়া বইতে থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ পরিষ্কার হয়ে মিলেছে ঝলমলে রোদ। দিন ও রাতের তাপমাত্রার বড় পার্থক্য শীতের অনুভূতিকে আরও তীব্র করেছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, ডিসেম্বরের শুরুতেই শীত আরও জেঁকে বসবে এবং শৈতপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে।
আরও পড়ুন: লটারিতেই চূড়ান্ত হলো ৬৪ জেলার এসপি
