দেশের শতবর্ষী বাণিজ্য সংগঠন চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন নিয়ে সংকট দেখা দিয়েছে। চেম্বারের টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ নিয়ে এই সংকট তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, নানা অনিয়মের অভিযোগে চিটাগাং চেম্বারের টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ অকার্যকর করে দিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন চেম্বার প্রশাসক মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা। এর প্রেক্ষিতে গত ২০ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই দুটি ক্যাটাগরিকে অকার্যকর করে দেয়। এ নিয়ে চেম্বার প্রশাসককে একটি চিঠি পাঠায় মন্ত্রণালয়। চিঠিতে প্রশাসককে চেম্বারের আসন্ন নির্বাচনে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপকে ভোট প্রদানের সুযোগ না দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরপর চেম্বার প্রশাসক এই দুটি ক্যাটাগরিকে ভোট প্রদানের সুযোগ না দিতে চেম্বারের নির্বাচন বোর্ডের প্রধান মনোয়ারা বেগমকে একটি চিঠি দেন। কিন্তু চেম্বার প্রশাসক একই সাথে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সদস্যপদ নবায়নও করেছেন। আর এতেই সংকট তৈরি হয়েছে। ফলে এই অবস্থায় তফসিল ঘোষিত সময়ে চেম্বারের নির্বাচন হবে কি না তা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংশয় দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চেম্বারের নির্বাচন বোর্ডের প্রধান মনোয়ারা বেগম রাজনীতি সংবাদকে বলেন, ‘টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপকে ভোট প্রদানের সুযোগ না দেওয়ার বিষয়ে চেম্বার প্রশাসক আমাকে একটি চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু কে ভোটার হবে না হবে তা নির্ধারণ করবে চেম্বার কর্তৃপক্ষ, নির্বাচনী বোর্ড না।’
তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর চিটাগাং চেম্বারের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন চট্টগ্রাম ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন বোর্ড। ১৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশ হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। প্রার্থীদের ফরম বিক্রি হবে ১৪ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর। জমাদানের শেষ তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর। ৫ অক্টোবর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।
চিটাগাং চেম্বারের নির্বাচনে ২৪টি পরিচালক পদে নির্বাচন হয়। এর মধ্যে অর্ডিনারি থেকে ১২ জন, অ্যাসোসিয়েট থেকে ৬ জন, টাউন অ্যাসোসিয়েশন থেকে ৩ জন এবং ট্রেড গ্রুপ ক্যাটাগরি থেকে ৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়। এরপর ২৪ জন পরিচালক থেকে ভোটাভুটি কিংবা সমঝোতার ভিত্তিতে সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি ও সহসভাপতি নির্বাচিত হয়।
জানা গেছে, চিটাগাং চেম্বারের টাউন অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যভুক্ত হয়েছে চারটি প্রতিষ্ঠান। এগুলো হলো-পটিয়া অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, বোয়ালখালী অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, হাটহাজারী অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং রাঙ্গুনিয়া অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি।
অপরদিকে ট্রেড গ্রুপেরও সদস্যভুক্ত হয়েছে চারটি প্রতিষ্ঠান। এগুলো হলো-চিটাগাং ডাইস অ্যান্ড কেমিক্যালস ইমপোটার্স অ্যান্ড ডিলার্স গ্রুপ, চিটাগাং মিল্ক ফুড ইমপোটার্স অ্যান্ড ডিলার্স গ্রুপ, চিটাগাং টায়ার টিউব ইমপোটার্স অ্যান্ড ডিলার্স গ্রুপ এবং চট্টগ্রাম ক্ষুদ্র পাদুকা শিল্প মালিক গ্রুপ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের কোনো চেম্বারে টাউন অ্যাসোসিয়েশন এবং ট্রেড গ্রুপ ক্যাটাগরি নেই। ঢাকা চেম্বার অব কমার্সে একসময় এ দুটি ক্যাটাগরি থাকলেও ১৫ বছর আগে তা বিলুপ্ত করা হয়েছে। শুধু চিটাগাং চেম্বারে এ দুটি ক্যাটাগরি এখনো বিদ্যমান আছে।
বিস্ময়কর বিষয় হলো, চিটাগাং চেম্বারে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ক্যাটাগরির সদস্যভুক্ত তিনটি প্রতিষ্ঠান এবং ট্রেড গ্রুপের দুটি প্রতিষ্ঠান হলো ভুয়া। এ নিয়ে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ‘চিটাগাং চেম্বারে মেম্বারশিপ নিয়ে ভয়াবহ জালিয়াতি’ শীর্ষক একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
গত ৩১ আগস্ট চেম্বারের টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের সদস্যভুক্ত এই আটটি প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ নবায়ন করা হয়। চিটাগাং চেম্বারের অ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারি (মেম্বার সেকশন) সৈয়দ সালাউত উল্লাহ তাদের সদস্যপদ নবায়ন করেন।
বিস্ময়কর বিষয় হলো, এসব প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ নবায়ন করার জন্য চেম্বারের মেম্বার সেকশনকে অনুমতি দেন প্রশাসক। তিনি অনুমতি দেওয়ার পরই এই আটটি প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ নবায়ন করে তাদের মানি রিসিপ্ট দেওয়া হয়।
বিষয়টি স্বীকার করে চিটাগাং চেম্বারের অ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারি সৈয়দ সালাউত উল্লাহ রাজনীতি সংবাদকে বলেন, ‘টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোর সদস্যপদ নবায়নের আগে আমি চেম্বার প্রশাসকের অনুমতি চেয়েছিলাম। তিনি আমাকে নির্দেশ দেওয়ার পর আমি প্রতিষ্ঠানগুলোর সদস্যপদ নবায়ন করি।’
এ বিষয়ে জানতে চিটাগাং চেম্বারের প্রশাসক মুহাম্মদ আনোয়ার পাশার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
ব্যবসায়ী মহলে প্রশ্ন উঠেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ অকার্যকর করে দেওয়ার পর চেম্বার প্রশাসক কীভাবে এসব প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ নবায়নের অনুমতি দিয়েছেন? এটা পরস্পরবিরোধী কাজ।
এটাকে চেম্বার প্রশাসকের ‘দ্বৈত অবস্থান’ অবস্থান বলছেন ব্যবসায়ীরা। এর ফলে নির্বাচন নিয়ে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হবে বলে মনে করছেন তারা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপকে মন্ত্রণালয় অকার্যকর করে দেওয়ার পর প্রতিষ্ঠানগুলোর সদস্যপদ নবায়নের সুযোগ আর থাকে না। কিন্তু চেম্বার প্রশাসক তাদেরকে সেই সুযোগ করে দিয়ে সংকট তৈরি করেছেন। এখন সদস্যপদ নবায়নের ফলে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত রাখার সুযোগ নেই। তাদেরকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না দিলে তারা হয়তো হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে পারে।
চেম্বার প্রশাসকের এমন ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ চেম্বারের নির্বাচন বোর্ডের প্রধান মনোয়ারা বেগম।
তিনি রাজনীতি সংবাদকে বলেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চিটাগাং চেম্বারের টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ অকার্যকর করে দেওয়ার পর চেম্বার প্রশাসক তাদের সদস্যপদ নবায়ন করে দ্বৈততার সৃষ্টি করেছেন। তিনি কেন এটা করলেন তা আমি জানি না। আমি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইবো।’
তবে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে আইনি জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ চিটাগাং চেম্বারের আর্টিকেলস অব অ্যাসোসিয়েশন অনুযায়ী, চেম্বারের প্রেসিডিয়াম (সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি ও সহসভাপতি) নির্বাচনে টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ থেকে একজন পরিচালককে নির্বাচিত করতে হবে। কিন্তু এই দুটি ক্যাটাগরি বাদ দেওয়া হলে চেম্বারের প্রেসিডিয়াম কীভাবে গঠন হবে তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
চিটাগাং চেম্বারের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে রাজনীতি সংবাদকে বলেন, টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ বাতিল করতে হলে চেম্বারের আর্টিকেলস অব অ্যাসোসিয়েশন সংশোধন করতে হবে। আর জাতীয় সংসদ ছাড়া এটি সংশোধন করার কোনো সুযোগ নেই। ফলে বিদ্যমান অবস্থায় টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ বাদ দিয়ে নির্বাচন করার কোনো সুযোগ নেই।
বিনা ভোটে ‘পরিচালক হওয়ার মিশনে’ বিএনপি নেতা সাইফুল
চিটাগাং চেম্বারের আসন্ন নির্বাচনে বিনা ভোটে পরিচালক হওয়ার মিশনে নেমেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম সাইফুল আলম। তিনি গত ৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে বিনা ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হন।
জানা গেছে, চিটাগাং চেম্বারের আসন্ন নির্বাচনে সাইফুল আলম ট্রেড গ্রুপের সদস্য চিটাগাং টায়ার টিউব ইমপোটার্স অ্যান্ড ডিলার্স গ্রুপ থেকে প্রার্থী হতে পারেন। নির্বাচনে ট্রেড গ্রুপের চারটি প্রতিষ্ঠান থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে প্রার্থী হবেন তিনজন। তাদের বিপরীতে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকবে না। ফলে তারা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন।
সাইফুল আলমকে প্রার্থী চূড়ান্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চিটাগাং টায়ার টিউব ইমপোটার্স অ্যান্ড ডিলার্স গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. শাহজাহান।
তিনি রাজনীতি সংবাদকে বলেন, ‘আমাদের নির্বাহী কমিটির সভায় চিটাগাং চেম্বারের নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে সাইফুল আলমকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। তিনি ছাড়া আমাদের আর কোনো বিকল্প প্রার্থী নেই।’
গত ৩১ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কয়েকজন লোক সঙ্গে নিয়ে সাইফুল আলম চট্টগ্রাম ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে চেম্বার কার্যালয়ে গিয়ে চিটাগাং টায়ার টিউব ইমপোটার্স গ্রুপের সদস্যপদ নবায়ন করেন। তিনি ৩ ঘণ্টা চেম্বারে অবস্থান করে ‘প্রভাব খাটিয়ে’ এই গ্রুপের সদস্যপদ নবায়ন করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ওই সময় এস এম সাইফুল আলমকে ফোন করা হলে তিনি রাজনীতি সংবাদকে বলেন, ‘আমি চিটাগাং টায়ার টিউব ইমপোটার্স গ্রুপের ডেলিগেট মেম্বার হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির সদস্যপদ নবায়ন করতে এসেছি। তবে আমি এই গ্রুপ থেকে নির্বাচন করবো কিনা সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি।’
প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয় টাউন অ্যাসোসিয়শেন ও ট্রেড গ্রুপকে অকার্যকর করার বিষয়টি আমরা ওয়াকিবহাল না। মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত কোনো চিঠি আমরা পাইনি। তাই আমরা প্রতিষ্ঠানটির সদস্যপদ নবায়ন করেছি।’
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, সাইফুল আলম চেম্বারের অর্ডিনারি ও অ্যাসোসিয়েট মেম্বার হলেও তিনি এই দুই ক্যাটাগরি থেকে ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জিততে না পারার আশঙ্কায়’ কৌশলে ট্রেড গ্রুপ থেকে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিয়েছেন। বিনা ভোটে পরিচালক হওয়ার জন্য তিনি ট্রেড গ্রুপের দ্বারস্থ হয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যবসায়ী নেতা রাজনীতি সংবাদকে বলেন, সাইফুল আলম যেই প্রক্রিয়ায় কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির চেয়ারে বসেছেন তা চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা জানেন। চেম্বারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হওয়া অনেক কঠিন। তাই হয়তো তিনি কঠিন পথ পরিহার করে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সহজভাবে পরিচালক হতে চাইছেন।
এস এম সাইফুল আলম বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চিটাগাং চেম্বারের সাবেক সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর অনুসারী।
জানা গেছে, চেম্বারের নির্বাচনে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক সভাপতি আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী একটি প্যানেল দেবেন। তিনি চিটাগাং চেম্বারের সাবেক সভাপতি ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ছোট ভাই।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরীর প্যানেল লিডার হতে পারেন সাইফুল আলম।
চেম্বারের ২০২৩ সালের নির্বাচনে নামসর্বস্ব চিটাগাং ডাইস অ্যান্ড কেমিক্যালস ইমপোটার্স অ্যান্ড ডিলার্স গ্রুপ থেকে পরিচালক নির্বাচিত হয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ লতিফের ছেলে ওমর হাজ্জাজ। বিনা ভোটে পরিচালক হওয়ার পর সভাপতির চেয়ারে বসেন তিনি।
ব্যবসায়ীদের অনেকে ধারণা করছেন, ওমর হাজ্জাজের মতো সাইফুল আলমও বিনা ভোটে পরিচালক হওয়ার পর সভাপতির চেয়ারে বসতে পারেন।
ব্যবসায়ীদের অনেকে আশঙ্কা করছেন, এম এ লতিফ ২০১৯ সাল থেকে চেম্বারের তিনটি পরিচালনা পর্ষদে তার সাতজন নিকটাত্মীয়কে বিনা ভোটে পরিচালক পদে বসিয়েছেন। হয়তো আগামীতে চেম্বারে আবার বিনা ভোটের মাধ্যমে পরিবারতন্ত্র কায়েম হতে পারে।
আরও পড়ুন:
চিটাগাং চেম্বারে মেম্বারশিপ নিয়ে ভয়াবহ জালিয়াতি
চিটাগাং চেম্বারের ‘দুর্নীতিবাজ’ সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার ফারুক বরখাস্ত
