, | |

মূলপাতা আইন-আদালত

হাটহাজারীর সেই মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ, জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট


প্রকাশের সময় :১১ মার্চ, ২০২১ ১:০০ : অপরাহ্ণ

হাটহাজারীর মারকাজুল কোরআন ইসলামি অ্যাকাডেমি মাদরাসায় মো. ইয়াসিন ফরহাদ (৭) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধরের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। বিষয়টি আগামী রোববারের (১৪ মার্চ) মধ্যে জানাতে জেলা প্রশাসক, এসপি, ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এ ধরণের ঘটনা মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থার ইমেজ ক্ষুণ্ন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। আদালত জানতে চেয়েছেন অভিযুক্ত শিক্ষক মো. ইয়াহিয়া খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না এবং তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হয়েছে কি না? এই বিষয়ে শিশুটির পরিবার কোন ধরণের চাপের মুখে পড়ছেন কি না তাও জানতে চেয়েছেন আদালত। এছাড়া, মাদ্রাসাটি যে অধিদপ্তরের অধীনে, সে কর্তৃপক্ষকে পুরো বিষয় তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) সকালে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি শাহেদ নূর উদ্দিনের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন হাইকোর্ট।

সোমবার (৮ মার্চ) বিকেলে চট্টগ্রামের হাটহাজারী সদরের মারকাযুল কুরআন ইসলামিক একাডেমি নামের একটি মাদ্রাসায় আট বছরের শিশু ইয়াসিন ফরহাদকে মারধরের ঘটনা ঘটে। শিশুটিকে মারধরের ভিডিও ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদের ঝড় উঠে। এরপর হাটহাজারী উপজেলার ইউএনও রুহুল আমিনের নেতৃত্ব মঙ্গলবার (৯ মার্চ) রাত রাত ২টার দিকে মাদ্রাসা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

অভিযুক্ত শিক্ষক ইয়াহিয়াকে বুধবার (১০ মার্চ) বিকেলে রাঙ্গুনিয়ার সাফরভাটা এলাকা থেকে আটক করেছে পুলিশ।

নির্যাতনের শিকার শিশু ইয়াসিন মাদ্রাসাটির হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী। গত সোমবার ইয়াসিনকে দেখে তার বাবা-মা মাদ্রাসা থেকে চলে যাওয়ার পরপরই শিশুটি বাইরে বের হয়। তখন শিশুটিকে ধরে মাদ্রাসার ভেতরে নিয়ে নির্দয়ভাবে মারধর করেন শিক্ষক ইয়াহিয়া। ৩৩ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, শিক্ষক ইয়াহিয়া শিশুটিকে ঘাড় ধরে মাদ্রাসার ভেতরে নিয়ে যান। পরে বেত দিয়ে পেটান। এসময় শিশুটির আর্তচিৎকারেও মন গলেনি তার।

মারধরের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর মঙ্গলবার (৯ মার্চ) রাতে অভিযুক্ত শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়।

আরও পড়ুন:

শিশুটির আর্তচিৎকারেও মন গলেনি শিক্ষকের

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর