গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আবার বিক্ষোভ করেছে পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। খবর পেয়ে পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারগ্যাস ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে।
আজ রোববার বিকেল ৩টার দিকে গাজীপুর নগরের কোনাবাড়ির জরুন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কয়েকটি কারখানা ছুটি ঘোষণা করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, জরুন এলাকায় মণ্ডল গ্রুপের একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা কাজে যোগ দিলেও দুপুরের দিকে কারখানা থেকে বের হয়ে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভকারীরা আশপাশের কয়েকটি কারখানায় ছুটি দেওয়ার দাবি জানান এবং ওই কারখানার শ্রমিকদের আন্দোলনে যোগ দিতে বলেন। পরে কয়েকটি কারখানা ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এরপর শ্রমিকেরা জড়ো হয়ে বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে অর্ধশতাধিক শ্রমিক লাঠিসোঁটা নিয়ে কাশিমপুর থেকে কোনাবাড়ির জরুনের দিকে আসেন। এসময় তারা আশপাশের কারখানাগুলোতে ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকেন। ওইসব কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম চলছিল। এসময় স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের কারখানার ভেতরে দায়িত্ব পালন করা পুলিশ সদস্যরা তাদের ধাওয়া দেয়। খবর পেয়ে বিজিবিও ঘটনাস্থলে যায়। পরে পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে ও লাঠি পেটা করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান, সকাল থেকে শিল্পাঞ্চল স্বাভাবিকভাবে চলছিল। বেলা ৩টার দিকে ওই একই দাবি জানিয়ে মন্ডল গ্রুপের বেশ কয়েকজন শ্রমিক জরুন মোড় আসছিল। এসময় ৬ থেকে ৭টি কারখানায় ঢিল ছুড়ে। পরে পুলিশ ও বিজিবি তাদের লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে সরিয়ে দেয়। এসময় ৭টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে গাজীপুরে ৭টি কারখানা ছাড়া সব কারখানায় উৎপাদন চলছে।
আরও পড়ুন: শ্রমিক আন্দোলনে অর্থায়ন, ২০৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ







