জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এ ছাড়া ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিবছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এ সাধারণ ছুটি থাকবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্যাপন-সংক্রান্ত পরিপত্রে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালিত হবে।
এদিকে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঘোষিত সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটির তারিখ পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর ছুটি থাকবে এবং ১৭ অক্টোবর (শনিবার) অফিস খোলা থাকবে।
এবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ৫ দিনের ছুটি ভোগ করতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। তবে তার আগের শনিবার (১৭ অক্টোবর) অফিস খোলা থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে আগেই ছুটি ঘোষণা আছে। পরদিন ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি। এখন ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবারও নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। তাই দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর ছুটি থাকবে। আর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ২২ অক্টোবরের ছুটি অনুমোদন হওয়ায় ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটি থাকবে। এই ছুটি শুরু হওয়ার আগে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার (১৭ অক্টোবর) অফিস খোলা থাকবে। এখন এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
তবে, এ ধরনের ছুটির ক্ষেত্রে জরুরি পরিষেবা এর আওতাবহির্ভূত থাকে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবা এবং এসব সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা রয়েছেন।
এছাড়া হাসপাতাল ও জরুরি সেবা, চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মী, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন ও কর্মী এবং জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসগুলোও ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে।
আরও পড়ুন: ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া অভিমুখে লংমার্চ ১১ দলীয় ঐক্যের







