রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট সড়কে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়েছেন তার ছেলে ও দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে তিনি এভারকেয়ারে পৌঁছান। এরপর তিনি আইসিইউ কেবিনে অসুস্থ মাকে দেখতে প্রবেশ করেন তিনি। এ সময় তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
তারেক রহমান আইসিইউ কেবিনে অবস্থান করে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।
তারেক রহমানকে একনজর দেখার অপেক্ষায় এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে জড়ো হন বিএনপির নেতাকর্মীরা।
এর আগে বিকেল ৪টা ১৮ মিনিটের দিকে তারেক রহমান সংবর্ধনাস্থল ত্যাগ করে এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
খালেদা জিয়াকে দেখতে আগেই রাজধানীর গুলশানের বাসা থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছান তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান। বিমানবন্দর থেকে তারা দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে গুলশানের বাসায় পৌঁছান।
এদিকে পূর্বাচল ৩০০ ফিট সড়কে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, ‘সন্তান হিসেবে আমার মন মায়ের কাছে পড়ে আছে। এতোদিন আমার সঙ্গে কী হয়েছে আপনারা সবাই জানেন। তিনি (খালেদা জিয়া) দেশকে ভালোবেসেছেন, তার সঙ্গে কী হয়েছে আপনারা প্রত্যেকটি মানুষ সে সম্পর্কে অবগত আছেন। সন্তান হিসেবে আপনাদের কাছে আমি চাইবো, আজ আল্লাহর দরবারে আপনারা দোয়া করবেন যেন আল্লাহ উনাকে তৌফিক দেন এবং উনি দ্রুত সুস্থ হতে পারেন।’
লন্ডন থেকে তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি আজ বেলা ১১ টা ৩৯ মিনিটে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে তারেক রহমানকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। এরপরই তারেক রহমানের শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু ফুলের মালা পরিয়ে জামাতাকে বরণ করেন নেন।
বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে বাসে ওঠার আগে তারেক রহমান জুতা খুলে মাটিতে পা রাখেন এবং হাতে এক মুঠো মাটি নেন।
আরও পড়ুন:
দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আমার পরিকল্পনা আছে: তারেক রহমান
লাখো মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত তারেক রহমান
দেশে নেমেই প্রধান উপদেষ্টাকে তারেক রহমানের ফোন, কী কথা হলো?
