, | |

মূলপাতা রাজধানী

হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক আটক


এই মোটরসাইকেল থেকে শরিফ ওসমান হাদির ওপর গুলিবর্ষণ করা হয়।

রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদক
প্রকাশের সময় : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:২১ পূর্বাহ্ণ

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মোটরসাইকেলের মালিককে আটক করেছে র‌্যাব। তাকে পল্টন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে মোটরসাইকেল এখনো উদ্ধার হয়নি।

আজ রোববার সকালে পল্টন থানার ওসি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল খান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আটককৃত মোটরসাইকেল মালিকের নাম-আব্দুল হান্নান। তার বাবার নাম মো. আবুল কাশেম। তার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। হামলার ঘটনায় হান্নান সরাসরি জড়িত কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‍্যাব সদরদপ্তরের মুখপাত্র উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে আব্দুল হান্নানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাকে পল্টন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওসমান হাদিকে হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটির নম্বর ৫৪-৬৩৭৫।

এদিকে গতকাল শনিবার রাতে শরিফ ওসমান হাদির চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এভারকেয়ার হাসপাতালের ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে ভর্তি আছেন তিনি। তার শারীরিক অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। মস্তিষ্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ফুসফুসে ইনজুরি বিদ্যমান। তবে তার কিডনির কার্যক্ষমতা বর্তমানে ফিরে এসেছে।

গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে রাজধানীর বিজয়নগরের পানির ট্যাংকির সামনে রিকশায় করে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্ত খুব কাছ থেকে ওসমান হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে সন্ধ্যার পর নেওয়া হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি।

 

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সরকার পতনের আন্দোলন এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির কর্মকাণ্ড দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। অল্পদিনের মধ্যেই ওসমান হাদি দেশের মানুষের কাছে একজন পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন।

ওসমান হাদি ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা শহরের খাসমহল এলাকার মৃত মাওলানা সৈয়দ আব্দুল হাদির ছোট ছেলে। হাদির ওপর হামলার ঘটনার পর প্রতিবেশীরা ওসমান হাদিদের বাসায় ছুটে আসেন। তাদের সান্ত্বনা দেন। এ সময় হাদির বোন মাহফুজা বেগম কান্নারত অবস্থায় বলতে থাকেন, পার্শ্ববর্তী দেশের গোয়েন্দা সংস্থা তোরে বাঁচতে দেবে না।

আরও পড়ুন: হাদিকে গুলি করা কে এই ফয়সাল?

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর