, | |

মূলপাতা আইন-আদালত

হাসিনাসহ সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের শুনানি ৩ ও ৭ ডিসেম্বর


আজ সকালে ১৩ সেনা কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। ছবি: সংগৃহীত
রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় :২৩ নভেম্বর, ২০২৫ ১:৪৭ : অপরাহ্ণ

আওয়ামী লীগের বিগত ১৬ বছরের শাসনামলে গুম, নির্যাতন ও খুনের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের দুই মামলায় শেখ হাসিনা ও সেনাবাহিনীর ১৩ কর্মকর্তাসহ অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। টিএফআই সেলের মামলায় ৩ এবং জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলের মামলায় ৭ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

আজ রোববার শুনানির পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

গুমের মামলা দুটি হলো-টিএফআই এবং জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে নির্যাতন। এসব মামলার পলাতক আসামিদের ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি পত্রিকায় এরইমধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

এর আগে, আজ সকাল ১০টার দিকে ১৩ সেনা কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ হাজির করা হয়। এরপর শুরু হয় শুনানি। ট্রাইব্যুনাল ঘিরে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি।

ট্রাইব্যুনালে আনা দুই মামলায় অভিযুক্ত ১৩ সেনা কর্মকর্তা হলেন-র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসরকালীন ছুটিতে), র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।

 

এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক দুই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক ও ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচ মহাপরিচালকসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে গত ৮ অক্টোবর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। যার মধ্যে ২৫ জনই সাবেক ও বর্তমান সেনাকর্মকর্তা। একইদিন প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে।

পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর হেফাজতে থাকা ১৫ কর্মকর্তাকে ২২ অক্টোবর সাধারণ পোশাকে বিশেষ প্রিজন ভ্যানে করে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। পরে তাদের ঢাকা সেনানিবাসের ঘোষিত সাবজেলে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: গুমের দুই মামলায় ট্রাইব্যুনালে ১৩ সেনা কর্মকর্তাকে হাজির

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর