, | |

মূলপাতা আইন-আদালত

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রিজনভ্যানে ট্রাইব্যুনাল ছাড়লেন ১৫ সেনা কর্মকর্তা


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রিজনভ্যানে করে ১৫ সেনা কর্মকর্তা ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের সাবজেলে নেওয়া হয়।
রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় :২২ অক্টোবর, ২০২৫ ১২:০৮ : অপরাহ্ণ

আওয়ামী লীগ শাসনামলে গুম-খুন ও জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিনটি মামলায় অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনাল থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রিজনভ্যানে করে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের সাবজেলে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে, আজ বুধবার সকালে এই ১৫ আসামিকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রিজনভ্যানে করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ হাজির করা হয়। এরপর তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

পরে কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, গ্রেপ্তার সেনা কর্মকর্তাদের ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে স্থাপিত কারা অধিদফতরের সাবজেলে রাখা হবে।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রিজনভ্যানে ট্রাইব্যুনাল ছাড়লেন ১৫ সেনা কর্মকর্তা
১৫ সেনা কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

আজ সকাল ৭টার দিকে কারা কর্তৃপক্ষের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) সবুজ রংয়ের প্রিজনভ্যানে করে আসামি ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। আদালতে শুনানির পর একই প্রিজনভ্যানে করে তাদেরকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের সাবজেলে নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত ১২ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঢাকা সেনানিবাসের বাশার রোডসংলগ্ন উত্তর দিকে অবস্থিত ‘এম ই এস বিল্ডিং নম্বর-৫৪’কে সাময়িকভাবে কারাগার হিসেবে ঘোষণা করা হলো। তবে এটি প্রকাশ্যে আসে দুইদিন পর।

এছাড়া, ১১ অক্টোবর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছিল, ১৫ জন কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন কর্মকর্তা অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে (এলপিআর) আছেন।

কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া আসামিরা হলেন-মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী, ব্রিগেডিয়ার কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম।

আরও পড়ুন: ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর