, | |

মূলপাতা আইন-আদালত

ডাকসু নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত


প্রকাশের সময় :১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ৫:০৫ : অপরাহ্ণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত। এর ফলে ডাকসু নির্বাচন হতে কোনো বাধা থাকছে না।

আজ সোমবার দুপুরে বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের চেম্বার আদালত হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন।

এর আগে বিচারপতি তাহসিন আলী ও হাবিবুল গণির আদালত ডাকসু নির্বাচন ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেন। বিচারপতি হাবিবুল গণির নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এক রিট আবেদনের ওপর শুনানিতে এ আদেশ দেয়।

গত রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’-এর মনোনীত জিএস প্রার্থী এসএম ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়।

৫ আগস্টের আগে এস এম ফরহাদ ‘ছাত্রলীগের কমিটিতে’ ছিলেন। এরপরও তিনি কীভাবে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী হলেন-এমন প্রশ্ন তুলে তার প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে এ রিট মামলা হয়।

 

রিটটি দায়ের করেন বাম ছাত্রসংগঠনগুলোর জোট সমর্থিত প্যানেল ‘মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন’ মনোনীত জিএস পদপ্রার্থী বিএম ফাহমিদা আলম।

আদালতে এ সংক্রান্ত রিটের শুনানিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শিশির মনির। রিটকারী পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

এই নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা জিএস পদপ্রার্থী এম ফরহাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কেন্দ্রীয় কমিটি ও হল সংসদগুলোর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

গত ২৬ আগস্ট প্রকাশিত নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় দেখা গেছে, নির্বাচনে চূড়ান্তভাবে প্রার্থী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭১ জনে। প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন জমা দেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ২৮ জন স্বেচ্ছায় প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। অপরদিকে, বাছাই প্রক্রিয়ায় বাদ পড়া ১০ জন প্রার্থী আপিল না করায় তাদের মনোনয়নপত্রও বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ৪৫ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৯ জন এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ২৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিল। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক পদে ১৭ জন, কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে ১১ জন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে ১৪ জন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ১৯ জন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে রয়েছেন ১২ জন।

তাছাড়া গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ৯ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ১৩ জন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে ১২ জন, সমাজসেবা সম্পাদক পদে ১৭ জন, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে ১৫ জন, মানবাধিকার ও আইন বিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন এবং ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন ১৫ জন প্রার্থী।

সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে সদস্য পদে। এবার মোট ২১৭ জন প্রার্থী সদস্য পদে লড়বেন। সবমিলিয়ে ২৮টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা ছিল ৪৭১ জন প্রার্থীর।

আরও পড়ুন: ডাকসু নির্বাচন: ৮ প্যানেলে ভোটের যুদ্ধ

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর