‘আমি আর আমার ভাই বাবাকে কি কোনোদিন জড়িয়ে ধরতে পারবো না’?- ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে গুম হওয়া বংশাল থানা ছাত্রদল নেতা পারভেজ হোসেনের কিশোরী মেয়ে আদিবা ইসলাম হৃদির কান্নাভেজা এমন প্রশ্নে থমকে যায় পুরো সম্মেলন কেন্দ্র। তার কান্নাভেজা এমন প্রশ্নে থমকে যায় পুরো সম্মেলন কেন্দ্র। অনেকের সঙ্গে এ সময় চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি তারেক রহমানও।
আজ মঙ্গলবার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শহীদ পরিবারের সম্মানে বিএনপি আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় এমন দৃশ্যের অবতারণা ঘটে।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। হৃদির বক্তব্যের পুরোটা সময় জায়ান্ট স্ক্রিনে তাকে চশমার ফাঁক দিয়ে বারবার চোখ মুছতে দেখা যায়। বাবাকে ফেরত পেতে এই মুহূর্তে হৃদির জন্য কিছু করতে না পারলেও চোখের জল ফেলে কষ্ট ভাগাভাগি করেন তার সঙ্গে।
সভায় হৃদি ছাড়াও সারাদেশ থেকে আসা গুম হওয়া, নির্যাতিত ব্যক্তি ও তাদের স্বজনরা কষ্ট ও ভোগান্তির গল্পগুলো তুলে ধরেন।
তারা জানান, স্বজন হারানোর বেদনার সঙ্গে আর্থিক টানাপড়েন, সন্তান আর তার ভবিষ্যতের চিন্তা তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে ভুক্তভোগীদের।
অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরামের বাবা শুধু নিজের সন্তানের কথাই বলেননি, তুলে ধরেন অন্যান্য শহীদদের অভিভাবকের কষ্টও।
রাষ্ট্রের কাছে শহীদ পরিবারগুলোর দাবি, বিচারের মুখোমুখি করা হোক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের।
আরও পড়ুন: আন্দোলনের এক পর্যায়ে ‘ডু অর ডাই’ পরিস্থিতিতে চলে যাই: নাহিদ
