, | |

মূলপাতা জাতীয়

সংস্কারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার পক্ষে ইইউ


আজ রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিক্যাবের অনুষ্ঠানে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার ও অন্যরা। ছবি: সংগৃহীত
প্রকাশের সময় :৫ মে, ২০২৫ ৫:০৭ : অপরাহ্ণ

সংস্কারের জন্য বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ‘পর্যাপ্ত’ সময় দেওয়ার পক্ষে ইউরোপের ২৭ রাষ্ট্রের জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার এমনটাই জানলেন। বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে কোনো চাপ নেই বলে তিনি জানিয়েছেন।

আজ সোমবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে কূটনৈতিক রিপোর্টারদের সংগঠন ডিকাবের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে (ডিকাব টক) তিনি এ কথা বলেন।

জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ড, দায়ীদের বিচার, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের বর্তমান আপৎকালীন সরকারের সংস্কার কার্যক্রম এবং আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের আকাঙ্ক্ষাসহ সমসাময়িক নানা বিষয়ে কথা বলেন ইইউ রাষ্ট্রদূত।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সমর্থন করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। নির্বাচনে সহায়তাও দিতে আগ্রহী ইইউ। তবে নির্বাচন কবে হবে তা ঠিক করবে বাংলাদেশ সরকার। নির্বাচন নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে কোনো চাপ নেই। আমরা মনে করি, সংস্কার বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত সময় দরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই। সুতরাং এক্ষেত্রে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ থাকা দরকার।

 

রাখাইনে মানবিক করিডর নিয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে মাইকেল মিলার বলেন, উভয় পাশেই ভুক্তভোগীদের জন্য মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। সবাই যেন সমানভাবে ত্রাণ সহায়তা পায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের বিষয়ে ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা জাতিসংঘের রিপোর্টকে সমর্থন করি। তাদের রিপোর্ট অত্যন্ত পরিষ্কার। এখন পরবর্তী পদক্ষেপ হচ্ছে-বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার মাধ্যমে যারা অপরাধ করেছে, তাদের বিচারের মুখোমুখি করা। এখানে দায়বদ্ধতা থাকতে হবে। আর দায়বদ্ধতার প্রক্রিয়া হতে হবে অত্যন্ত স্বচ্ছ।

মাইকেল মিলার বলেন, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে সংস্কার এখন বড় সুযোগ এনে দিয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে।  রাজনৈতিক দল ও অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করবে বলে আমরা আশা করি।

এক প্রশ্নের জবাবে ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, ইইউতে পাচার হওয়া অর্থ যদি বর্তমান সরকার ফেরত আনতে চায়, তবে এ নিয়ে রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে যথাযথ তথ‍্য-উপাত্ত নিয়ে যোগাযোগ করতে হবে।

বাংলাদেশ ও ইইউ’র মধ্যে সম্পর্কের ভিত্তি হবে মৌলিক অধিকার ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা জানিয়ে মাইকেল মিলার বলেন, আমার জীবদ্দশায় ইউরোপের প্রায় অর্ধেক দেশ কর্তৃত্ববাদ থেকে গণতন্ত্রের পথে এসেছে এবং এই কাজটি বাংলাদেশ এখন করছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ডিক্যাব সভাপতি এ কে এম মঈনুদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান মামুন।

আরও পড়ুন: এপ্রিলে এলো দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর