রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় চাঁদাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় জামিন পেয়েছেন মডেল মেঘনা আলম। আজ সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্ল্যাহর আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
মেঘনা আলম ও তার সহযোগী দেওয়ান সমির এবং আরও দুই-তিনজন বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সুন্দরী নারীদের মাধ্যমে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের পরিকল্পনা করেন। এমন অভিযোগে গত ১৫ এপ্রিল ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ আবদুল আলিম তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, অভিযুক্তরা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য, যারা সুন্দরী নারীদের মাধ্যমে বিদেশি কূটনীতিক ও ধনী ব্যবসায়ীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ আদায় করতেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ২৯ মার্চ ধানমন্ডির একটি জাপানি রেস্টুরেন্টে এক কূটনীতিকের কাছ থেকে ৫০ লাখ ডলার চাঁদা আদায়ের পরিকল্পনায় বৈঠক করেন তারা।
গত ৯ এপ্রিল রাতে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তান হন মডেল মেঘনা আলম। ১০ এপ্রিল রাতে আদালত তাকে বিশেষ ক্ষমতা আইনের আওতায় ৩০ দিনের জন্য কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
১৩ এপ্রিল হাইকোর্ট একটি রুল জারি করে জানতে চান, বিশেষ ক্ষমতা আইনে মেঘনা আলমের গ্রেপ্তার কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। মেঘনা আলমের আটক আদেশ নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন উদ্বেগ ও নিন্দা প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন: সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হককে কিল-ঘুষি, দৌড়ে রক্ষা পেলেন গণধোলাই থেকে
