রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তবে, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
আজ শুক্রবার বিকেল ৪টা ৫২ মিনিটের দিকে এ মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর ইউএসজিএস এর তথ্য অনুযায়ী, এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৩। ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের দশ কিলোমিটার গভীরে।
ইউএসজিএস জানিয়েছে, এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর থেকে ২৩ দশমিক ২ কিলোমিটার পূর্ব উত্তর পূর্বে, ভারতের আগরতলা থেকে ১৬ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে, ত্রিপুরার রানিনগর থেকে ২৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার পশ্চিম উত্তর পশ্চিমে এবং কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর থেকে ৩৮ দশমিক ৪ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের রুবায়েত কবির জানান, রাজধানী ঢাকা থেকে ১০৫ কিলোমিটার পূর্ব উত্তর পূর্ব দিকে ছিল এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল।
ভূমিকম্পটি স্বল্পস্থায়ী হলেও এর প্রভাবে বিভিন্ন স্থাপনা কেঁপে ওঠে। ফলে, সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভূমিকম্পের পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট দেখা যায়।
এর আগে ২৮ মার্চ দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে রাজধানী ঢাকা ও বাণিজ্যনগরী চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি বিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি জানায়, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৯। যার উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাগাইন জেলা থেকে ৩৪ কিলোমিটার পশ্চিমে। ভূপৃষ্ঠ থেকে যার গভীরতা ১০ কিলোমিটার।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘন ঘন ভূমিকম্পের প্রবণতা আশঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং ঢাকা অঞ্চল উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
আরও পড়ুন: মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম বদলে ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’
