মাগুরায় ধর্ষণের শিকার শিশু আছিয়ার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার এশার নামাজের পর জানাজা শেষে শিশুটির পৈতৃক নিবাস শ্রীপুরের সোনাইকুন্ডীতে দাফন করা হয়।
এর আগে, শিশু আছিয়ার মরদেহ রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) থেকে হেলিকপ্টারযোগে গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়।
শিশু আছিয়ার মরদেহ মাগুরায় পৌঁছানোর পর স্থানীয়রা সুষ্ঠু বিচার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন বলে জানান মাগুরা সদর থানার ওসি আইয়ুব আলী। তিনি বলেন, স্থানীয়রা অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে স্লোগান দেন। পরিস্থিতি সামলানে পুলিশকে বেগ পোহাতে হয়েছে।
মরদেহ মাগুরা পৌঁছানোর পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শহরের নোমানী ময়দানে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় অংশ নেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ ও মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। জানাজা শেষে শিশু আছিয়ার মরদেহ গ্রামে নেওয়া হয়।
এদিকে শিশুটিকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। রাত পৌনে ৮টার দিকে বাড়িটিতে আগুন দেওয়া হয়।
মাগুরা সদর থানার ওসি আইয়ুব আলী জানান, আসামিদের রিমান্ড চলছে। আসামিরা শিশুটির বড় বোনের শ্বশুর মাগুরা শহরতলীর নিজনান্দুয়ালী গ্রামের হিটু শেখ (৪২), দুলাভাই সজীব শেখ (২২), তার বড় ভাই রাতুল শেখ ও রাতুলের মা জায়েদা খাতুন এখন পুলিশ হেফাজতে।
প্রসঙ্গত, গত ৬ মার্চ মাগুরার শহরতলি নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় ৮ বছরের শিশু আছিয়া। ওই সময় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও চালানো হয়। বৃহস্পতিবার ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়।
আরও পড়ুন: মাগুরায় ধর্ষণের শিকার সেই শিশুটি মারা গেছে
