বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ | ২৫ মাঘ, ১৪২৯ | ১৬ রজব, ১৪৪৪

মূলপাতা আইন-আদালত

নয়াপল্টনে সংঘর্ষ

আমানসহ দুজনের জামিন, ২৩ জন রিমান্ডে, রিজভীসহ ৪৩৩ নেতাকর্মী কারাগারে


রাজনীতি সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় :৮ ডিসেম্বর, ২০২২ ৮:৩৮ : অপরাহ্ণ

নয়াপল্টনে সংঘর্ষ ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় পল্টন থানায় দায়ের করা মামলায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক মো. আবদুস সালাম, বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিসহ ৪৩৩ জন নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া ২৩ নেতকর্মীকে দুদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমানুল্লাহ আমান ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েলকে জামিন দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন এই আদেশ দেন।

আমানউল্লাহ আমান ও আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল রাতে আদালতের হাজতখানা থেকে মুক্ত হন।

এর আগে বিকেলে ৪৫০ জনকে আদালতে হাজির করে পল্টন থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ৪৩৫ জনকে কারাগারে আটক রাখার এবং ২৩ জনকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিদের পক্ষে জামিনের আবেদন করা হয়।

আদালত শুনানি শেষে ৪৩৩ জনের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন, দুজনকে জামিন দেন এবং ২৩ জনকে দুদিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

যাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন-বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক মো. আবদুস সালাম, বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, গাজীপুর বিএনপির সভাপতি মো. ফজলুল হক মিলন, নরসিংদী বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব খাইরুল কবির খোকন, বিএনপির চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সেলিম রেজা হাবিব, বিএনপির সহজলবায়ু সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল ও ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক। বাকি সবাই বিএনপি ও বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী।

যাদের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে তারা হলেন-বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম, শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ শাহজাদ, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য একেএম আমিনুর ইসলাম, চট্টগ্রাম জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াকিল আহমেদ, নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সজিব ভূঁইয়া, গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক সারোয়ার হোসেন শেখ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাঈদ ইকবাল মাহমুদ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান শরীফ, ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সদস্যসচিব আল আমিন, রমনা থানা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুল, ঢাকার মিরপুর বাংলা কলেজ ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শুভ ফরাজী, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এসএম মাহমুদুল হাসান রনি, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক মোরসালিন, সহসাধারণ সম্পাদক মাহবুব মিয়া ও ছাত্রদল নেতা সাঈদ ইকবাল টিটু।

উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার নয়াপল্টনে সংঘর্ষের পর ৪৭৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত দেড় থেকে দুই হাজার জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন রাজধানীর পল্টন থানার উপপরিদর্শক মিজানুর রহমান।


আরও খবর