বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ | ৯ ফাল্গুন, ১৪৩০ | ১১ শাবান, ১৪৪৫

মূলপাতা আন্তর্জাতিক

খায়রুজ্জামানকে হস্তান্তরে মালয়েশিয়ার আদালতের স্থগিতাদেশ


রাজনীতি সংবাদ ডেস্ক প্রকাশের সময় :১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ১২:৩১ : অপরাহ্ণ
মোহাম্মদ খায়রুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত
Rajnitisangbad Facebook Page

মালয়েশিয়ায় গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার মোহাম্মদ খায়রুজ্জামানকে দেশে ফেরত পাঠানোর ওপর স্থগিতাদেশ আরোপ করেছে দেশটির আদালত।

আজ মঙ্গলবার মালয়েশিয়ার হাইকোর্ট দেশটির অভিবাসন বিভাগের বিরুদ্ধে এই অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ মঞ্জুর করে।

এর ফলে সাবেক হাইকমিশনার মোহাম্মদ খায়রুজ্জামানকে এখনই বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে পারবে না মালয়েশীয় অভিবাসন বিভাগ।

খায়রুজ্জামানের স্ত্রীর আইনজীবীর করা আবেদনে বিচারক মোহাম্মাদ জাইনি মালাজান মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে।

ফ্রি মালয়েশিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, খায়রুজ্জামানের স্ত্রী রিটা রহমানের করা আবেদনের শুনানির জন্য আগামী ২০ মে পরবর্তী তারিখ ধার্য্য করেছে মালয়েশিয়ার আদালত।

৬৫ বছর বয়সী খায়রুজ্জামানের স্ত্রী রিটা রহমানের করা আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে অজ্ঞাত কারণে তাকে ফেরত চেয়েছে।

শরণার্থী কার্ডে গত প্রায় এক যুগ ধরে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করা খায়রুজ্জামানকে গত ১০ ফেব্রুয়ারি ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তার আমপাঙের বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়।

গ্রেপ্তারের পর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জানিয়েছিলেন, খায়রুজ্জামানকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে।

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের সময়কালে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত ছিলেন খায়রুজ্জামান।

জাতীয় চার নেতাকে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর হত্যার ঘটনায় করা মামলায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর খায়রুজ্জামান জেলহত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

এরপর বিএনপি জামায়াত-জোট সরকারের সময় তিনি জামিনে মুক্ত হয়ে চাকরিতে যুক্ত হন।

সর্বশেষ ২০০৭ সালের আগস্টে তিনি মালয়েশিয়ায় প্রথম শ্রেণির হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর খায়রুজ্জামানকে ঢাকায় ফিরে আসতে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

কিন্তু জীবননাশের শঙ্কায় খায়রুজ্জামান কুয়ালালামপুরে ইউএনএইচসিআরের কাছে যান এবং মালয়েশিয়ায় তার অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার জন্য একটি পরিচয়পত্র পান।

এরপর থেকে তিনি শরণার্থী হিসেবে বসবাস করছিলেন।

আরও পড়ুন: নির্বাচন কমিশন গঠন: প্রস্তাবিত ৩২২ জনের নাম প্রকাশ

মন্তব্য করুন
Rajnitisangbad Youtube


আরও খবর