জনগণের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রতিবাদে আজ শুক্রবার সকাল থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে ধর্মঘট পালন করছে পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা। সকাল থেকে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে মানুষ।
আগামী রোববার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ভাড়া পুনর্নির্ধারণ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, সেখানে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবভিত্তিক মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে জনগণের ওপর বাড়তি চাপ সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করা হবে।
বঙ্গবন্ধু সেতু ও মুক্তারপুর সেতুর টোল বাড়ার প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বাড়ায় অনুমোদিত যানবাহনের শ্রেণিবিন্যাস এবং টোলহার বৃদ্ধি করা হয়েছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু সেতুতে সর্বশেষ ২০১১ সালে টোলহার বাড়ানো হয়েছিল। দীর্ঘ ১০ বছর পর এই সেতুর টোলহার এবার বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে ২০০৮ সালে মুক্তারপুর সেতু চালু হবার পর এই প্রথম সেখানে টোলহার বাড়ানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, বুধবার ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। তেলের দাম বাড়ানোয় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পরিবহন নেতারা বলেন, হঠাৎ করেই একসঙ্গে প্রতি লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানোর ঘটনা এটাই প্রথম। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিদ্যমান ভাড়ায় চালিয়ে পোষাতে পারছেন না।
