চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে পুলিশের সাথে মাদ্রাসা ছাত্রদের ব্যাপক সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়েছে । এতে মাদ্রাসার তিন ছাত্র ও এক পথচারী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন।
নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত অর্ধশতাধিক।
ঢাকার বায়তুল মোকাররমে মুসল্লি ও ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনার প্রতিবাদে আজ শুক্রবার (২৬ মার্চ) জুমার নামাজের পর হাটহাজারী মাদরাসা ও আশপাশের মসজিদ থেকে মুসল্লিরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সংঘর্ষের একপর্যায়ে পুলিশ গুলি ছুঁড়ে। এতে কয়েকজন বিক্ষোভকারী গুলিবিদ্ধ হন। গুলিবিদ্ধ রক্তাক্ত বেশ কয়েকজনকে রিকশা ও ভ্যানে করে হাসপাতালে নিতে দেখা গেছে।
গুলিবিদ্ধ ছয়জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চারজনকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
গুলিবিদ্ধ ছয়জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চারজনকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল হক ভুঁইয়া জানান, গুলিতে নিহতদের মধ্যে হাটাহাজারী মাদরাসার তিন ছাত্র ও এক পথচারী রয়েছেন।
পুলিশ বলছে, একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা মিছিল থেকে হাটহাজারী থানা, ভূমি অফিস, ডাকবাংলোতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। এসময় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে।
জানা গেছে, বেলা আড়াইটা থেকে হাটহাজারী দারুল উলূম মাদ্রাসার সামনে ছাত্ররা সড়ক অবরোধ করে রেখেছে। এতে হাটহাজারী-নাজিরহাট সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি মোবকবেলায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ থানার সাসনে অবস্থান করছে।
