, | |

মূলপাতা ফটো গ্যালারি

যে বাড়ি নির্মাণ করতে সময় লেগেছে ১০ বছর, ব্যয় হয়েছে ৩৫ কোটি ডলার


যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে অবস্থিত চোখ ধাঁধানো এই প্রাসাদ নির্মাণ করতে সময় লেগেছে ১০ বছর।


প্রকাশের সময় : ৩ মে ২০২৬, ১০:০৫ পূর্বাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে অবস্থিত চোখ ধাঁধানো এই বাড়ি নির্মাণ করতে সময় লেগেছে ১০ বছর। চোখ ধাঁধানো এই প্রাসাদ নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩৫ কোটি ডলার। বিশ্বের সবচেয়ে এই দামি বাড়িটি বিক্রির জন্য বাজারে তোলা হয়েছে। এ প্রাসাদের দাম হাঁকা হয়েছে ৪০ কোটি ডলার। বাংলাদেশী মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৪ হাজার ৯০০ কোটি টাকারও বেশি।

রেকর্ড গড়া দাম
বিশ্বে বিক্রির জন্য তালিকাভুক্ত হওয়া সবচেয়ে দামি আবাসিক সম্পত্তি এখন পর্যন্ত এটিই। এর আগে গত বছরের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের আসপেন এলাকায় অবস্থিত ‘লিটল লেক লজ’ ৩০ কোটি ডলারে বিক্রির প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। তবে লস অ্যাঞ্জেলেসের বিশাল ম্যানসনটি সেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।

এক দশকে তৈরি বিশাল প্রাসাদ
দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার বিশালাকার বাড়িটির আয়তন ৭০ হাজার বর্গফুটের বেশি। বাড়িটির নির্মাণ কাজ শেষ করতে সময় লেগেছে দীর্ঘ ১০ বছর। এটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে প্রায় ৩৫ কোটি ডলার। ২০১৮ সালে এর কাজ পুরোপুরি শেষ হয় বলে জানা যায়।

বাড়িটির বিক্রয় প্রতিনিধি মাইকেল ফাহিমিয়ান বলেন, ‘‌সাধারণ বিলাসবহুল চিন্তাধারার অনেক ওপরে গিয়ে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। বাড়িটি তৈরির সময় কোনো বাজেটের কথা চিন্তা করা হয়নি।’

কী কী আছে প্রাসাদে?
আট একর জমির ওপর নির্মিত বিশাল প্রাসাদে রয়েছে আধুনিক জীবনের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা। বাড়িটি নকশা করেছেন বিখ্যাত ডিজাইনার পিটার মারিনো। গেস্ট হাউজ মিলিয়ে এতে মোট ৩৯টি শয়নকক্ষ রয়েছে। এছাড়া রয়েছে একাধিক রান্নাঘর। বাড়ির আঙিনায় বিনোদনের জন্য রয়েছে তিনটি বড় সুইমিং পুল, একটি পুল হাউজ, টেনিস কোর্ট ও টেনিস প্যাভিলিয়ন এবং একটি বিশাল হাম্মামখানা বা স্পা রুম। ফাহিমিয়ানের মতে, প্রাসাদের গেস্ট হাউজটিই এতটাই বিলাসবহুল যে এর দাম প্রায় সাড়ে ৭ কোটি ডলার হতে পারে। গেস্ট হাউজে রয়েছে ছয়টি শয়নকক্ষ, কর্মীদের থাকার ঘর, শেফের জন্য আলাদা রান্নাঘর, জিম ও একটি বাইরের সুইমিং পুল।

 

বাড়িটির অন্যতম আকর্ষণ হলো এর হাম্মামখানা (স্পা রুম) । সেখানে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা বিভাগসহ রিসোর্টশৈলীর একটি স্পা রয়েছে। এছাড়া বাড়ির ভেতরেই আছে সাজসজ্জার পার্লার (সেলুন)। বিনোদনের জন্য বাড়ির নিচতলায় একটি অত্যাধুনিক মুভি থিয়েটারও রয়েছে।

বিশেষ ও অদ্ভুত কিছু সুবিধা
প্রাসাদটিতে এমন কিছু সুবিধা রয়েছে যা সাধারণত অন্য কোনো বাড়িতে দেখা যায় না, যেমন অত্যন্ত নিরাপদ ‘সেফ রুম’, দামি শিল্পকর্ম সংরক্ষণের জন্য বিশেষ জায়গা, এমনকি একটি এক্স-রে মেশিনও রয়েছে এখানে।

মালিকানায় কাতারের রাজপরিবার
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, বিশাল প্রাসাদটির মালিক কাতারের শাসক আল-থানি পরিবারের একটি প্রতিষ্ঠান। লন্ডন ও নিউইয়র্কেও এ রাজপরিবারের অনেক বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে। তবে এ বাড়ি বিক্রির বিষয়ে আল-থানি পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: এল ডেকোর

মন্তব্য করুন
Rajniti Sangbad


আরও খবর