প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। আজ সোমবার সকালে সচিবালয়ে এই সাক্ষাৎ হয়। আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব শুরুর দেড় মাসের মাথায় আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ পেলেন দীনেশ ত্রিবেদী।
বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে স্বাগত জানান। এ সময় হাইকমিশনার ঢাকায় গত দুই মাস দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।
বৈঠকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ এবং ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের বাংলাদেশে ফেরত দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে।
এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করে বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করার জন্য বিষয়টি উঠে এসেছে। আমরা তাদের বলেছি, প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য। আমরা আশা করি, ভারত এ ব্যাপার একটি ইতিবাচক দিকে এগোবে। এছাড়া, শহীদ হাদির সন্দেহভাজন হত্যাকারীরা, আপনারা জানেন, ধরা পড়েছে। ভারত যেসব কাগজপত্র চেয়েছিল সবকিছু তাদের দিয়েছি।
গত এপ্রিল মাসে পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ রাজনীতিক, সাবেক রেলমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী ত্রিবেদীকে বাংলাদেশের ষোড়শ হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয় ভারত। তিনি প্রণয় কুমার ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হন।
গত ২৫ জুন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করার মাধ্যমে ত্রিবেদী আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ঢাকায় কূটনৈতিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
আরও পড়ুন: এসএসসির ফলাফলে ধস, ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাস
