মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে সামনে তেল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আরও বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ সোমবার সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের নেহা নদী পুনর্খনন কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশঙ্কার কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের সামনে খুব ভালো সময় না, কঠিন সময় ৷ যুদ্ধটা আমাদের খুব ক্ষতি করছে। সামনে তেলের দাম বেড়ে যাবে, জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাবে৷ সেগুলো সয়ে নিয়ে আমাদের আগাতে হবে।’
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেলের সরবরাহ কিছুটা কম হতে পারে, কিন্তু সেই অজুহাতে পাম্প ভাঙচুর করা বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কোনোভাবেই সমীচীন নয়। আমরা মব বা উচ্ছৃঙ্খল জনতাকে কঠোর হস্তে দমন করবো। গায়ের জোরে আইনের বাইরে কাউকে কোনো কাজ করতে দেওয়া হবে না।’
সম্প্রতি একটি পেট্রলপাম্পে ভাঙচুরের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমার ঠাকুরগাঁওতে একটা পেট্রলপাম্প ভেঙে দিলে। কেন? তারা তেল দিতে চায় নাই। তো ভাই, তুমি পাম্পটা ভাঙলে কেন? অভিযোগ থাকলে যারা দায়িত্বশীল আছে, তাদের বলো। পাম্প ভাঙলে কেন? মব আমরা তৈরি করতে দেবো না। মবকে আমরা কঠোর হস্তে দমন করবো।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘একটা কথা মনে রাখতে হবে, আমাদের জাতি হিসেবে যদি ওপরে উঠতে হয়, শৃঙ্খলা ছাড়া কেউ ওপরে উঠতে পারবে না। এখন একটা বড় সংকট দেখা দিয়েছে-তেল নাই। যুদ্ধ লাগছে ইরান, আমেরিকা, ইসরায়েল। তেলের সাপ্লাই কম।’
ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি করার কঠোর সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘একটি দলের নেতারা এবার বেহেশতে নিতে পারলো না ৷ আমরা কাজ করে বেহেশতে যাব ৷ ধর্মকে ব্যবহার করা যায় না। দেশের ৯০ ভাগ মানুষ ধার্মিক, তারা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা পছন্দ করে না। আমরা কাজ করতে এসেছি। কাজ করে যাবো।’
আরও পড়ুন: সারাদেশে যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে পেট্রোল পাম্প
